চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশু আইরিনকে হত্যা : এএসপি
ফরিদপুরে ৬ দিন নিখোঁজের পর বৃহস্পতিবার সকালে একটি কলাবাগান থেকে ৭ বছরের শিশু আইরিনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকারী শিশুটিকে চকলেট ও বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ আজমির হোসেন। শুক্রবার (১ মে) সকাল ১১টায় কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে এএসপি বলেন, ‘নিহত শিশু আইরিন স্থানীয় বোকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে ২৫ এপ্রিল কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা বাকা মিয়া বিশ্বাস।’ ঘটনার পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে ইসরাফিল মৃধা (২৪), শেখ আমিন (১৯) ও নাছিমা বেগম (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে
ফরিদপুরে ৬ দিন নিখোঁজের পর বৃহস্পতিবার সকালে একটি কলাবাগান থেকে ৭ বছরের শিশু আইরিনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকারী শিশুটিকে চকলেট ও বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ আজমির হোসেন।
শুক্রবার (১ মে) সকাল ১১টায় কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে এএসপি বলেন, ‘নিহত শিশু আইরিন স্থানীয় বোকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে ২৫ এপ্রিল কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা বাকা মিয়া বিশ্বাস।’
ঘটনার পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে ইসরাফিল মৃধা (২৪), শেখ আমিন (১৯) ও নাছিমা বেগম (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, ‘ইসরাফিল মৃধা চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে শিশুটি তার পরিবারকে বলে দিতে পারে এ আশঙ্কায় শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গোপন করার জন্য পাশের বাড়ির বাথরুমের সেফটি ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়।’
নাছিমা বেগম বিষয়টি জানতে পেরে তার ছেলে শেখ আমিন ও অপর ছেলে রহমানকে লাশ সরিয়ে ফেলতে বলেন। তারা ট্যাংক থেকে লাশ তুলে একটি প্লাস্টিকের ড্রামে করে বাখুণ্ডা কমিউনিটি ক্লিনিকের পূর্ব পাশে রেললাইন সংলগ্ন কলাবাগানে ফেলে রাখে। এ সময় বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, (ওসি তদন্ত) আব্দুল্লাহ বিশ্বাস, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুদ রানা।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
What's Your Reaction?