চট্টগ্রামে পাঠাগারে হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগারে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পাঠাগার-সংশ্লিষ্টরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর নগরের ঝাউতলা স্টেশন রোড মসজিদ এলাকা থেকে মিছিলটি বের হয়ে সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র পদপ্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী। সেগুনবাগান পাঠাগারের কার্যনির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা মুহিবুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, পাঠাগারের মতো একটি জ্ঞানচর্চার স্থানে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা ও লুটপাটকারীরা সমাজের শত্রু। যারা চট্টগ্রামের শান্ত পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে আমরা ধরে নেব, প্রশাসন তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হব
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগারে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পাঠাগার-সংশ্লিষ্টরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর নগরের ঝাউতলা স্টেশন রোড মসজিদ এলাকা থেকে মিছিলটি বের হয়ে সেগুনবাগান ইসলামী পাঠাগার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র পদপ্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী।
সেগুনবাগান পাঠাগারের কার্যনির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা মুহিবুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, পাঠাগারের মতো একটি জ্ঞানচর্চার স্থানে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা ও লুটপাটকারীরা সমাজের শত্রু। যারা চট্টগ্রামের শান্ত পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে আমরা ধরে নেব, প্রশাসন তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন পাঠাগারের উপদেষ্টা মো. ওমর ফারুক, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, সমাজসেবক কেএম জাবেদ এবং স্থানীয় নেতারা।
বক্তারা বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এমআরএএইচ/এনএইচআর
What's Your Reaction?