চাঁদপুরে লেক থেকে ৩ বস্তা কোরআন উদ্ধার
চাঁদপুর শহরের মিশন রোড এলাকার একটি লেক থেকে তিন বস্তা কোরআন শরিফ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে স্থানীয়রা লেকের পানিতে কয়েকটি বস্তা ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাগুলো উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লেকের পাড়ে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তা ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়। বস্তাগুলো খুলে ভেতরে কোরআন শরিফ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া কোরআন শরিফগুলো পুরোনো এবং কিছুটা নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এগুলো লেকে ফেলেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের আশঙ্কায় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সলিমুল্লা সেলিম বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
এ ঘটনায় স্থানীয় আলেম-ওলামা ও মুসল্লিরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। উদ্ধারকৃত কোরআন শরিফগুলো যথাযথ ধর্মীয় মর্যা
চাঁদপুর শহরের মিশন রোড এলাকার একটি লেক থেকে তিন বস্তা কোরআন শরিফ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে স্থানীয়রা লেকের পানিতে কয়েকটি বস্তা ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাগুলো উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লেকের পাড়ে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তা ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়। বস্তাগুলো খুলে ভেতরে কোরআন শরিফ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া কোরআন শরিফগুলো পুরোনো এবং কিছুটা নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এগুলো লেকে ফেলেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের আশঙ্কায় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সলিমুল্লা সেলিম বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
এ ঘটনায় স্থানীয় আলেম-ওলামা ও মুসল্লিরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। উদ্ধারকৃত কোরআন শরিফগুলো যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।