চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড, মিলবে যেসব সুবিধা
জনগণের চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ই-হেলথ কার্ড চালুর কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারের নীতি হলো স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়টিও আলোচনা হয়, যার মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান অতিরি
জনগণের চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ই-হেলথ কার্ড চালুর কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারের নীতি হলো স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়টিও আলোচনা হয়, যার মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
এদিন বৈঠকে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ই-হেলথ কার্ডে যেসব সুবিধা মিলবে
ই-হেলথ হলো স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার একটি আধুনিক পদ্ধতি। এ ব্যবস্থার আওতায় প্রতিটি রোগীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ই-হেলথ কার্ড থাকবে, যেখানে তার সব ধরনের চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য ও মেডিকেল রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে। ফলে ভবিষ্যতে রোগী যে কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকরা সহজেই তার আগের সব চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য একসঙ্গে দেখতে পারবেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক জনগণের কাছেও স্বাস্থ্যসেবা সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। ই-হেলথ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে একটি জেলাকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্বাচন করে সেখানে কার্যক্রম শুরু করা হবে। ওই জেলায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে রেফারেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে এবং জেলা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন স্তরকে ই-হেলথ পদ্ধতির মাধ্যমে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
ভবিষ্যতের পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে আধুনিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে এই ডিজিটাল স্বাস্থ্য উদ্যোগ—ই-হেলথ কার্ড—গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
What's Your Reaction?