ছাত্রশক্তি নেতার বাড়িতে আগুন
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির এক নেতার বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত তিনটার পর উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের ডোমগাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ওই নেতা। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।
জানা গেছে, জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ ওই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আলি হোসেনের ছেলে। তার গ্রামের বাড়িতে বাবা-মা, স্ত্রী, দুই সন্তান ও বড় ভাই জয়নাল আবেদীন বসবাস করেন।
মো. সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা তার বাড়ির একটি রান্নাঘরে আগুন দেয় এবং বসতঘরে কুপিয়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘অনেক দিন ধরেই ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমাকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে সেই হুমকির মাত্রা আরও বেড়েছিল। আগুন দেওয়ার ঘটনার পরও আমাকে হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে মেসেজ দিয়ে বলা হয়ে
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির এক নেতার বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত তিনটার পর উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের ডোমগাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ওই নেতা। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।
জানা গেছে, জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ ওই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আলি হোসেনের ছেলে। তার গ্রামের বাড়িতে বাবা-মা, স্ত্রী, দুই সন্তান ও বড় ভাই জয়নাল আবেদীন বসবাস করেন।
মো. সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা তার বাড়ির একটি রান্নাঘরে আগুন দেয় এবং বসতঘরে কুপিয়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘অনেক দিন ধরেই ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমাকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে সেই হুমকির মাত্রা আরও বেড়েছিল। আগুন দেওয়ার ঘটনার পরও আমাকে হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে মেসেজ দিয়ে বলা হয়েছে— ‘তোর বাড়িতে আগুন দিলাম, ভাগ্যিস তুই নাই। তোর ছেলে-মেয়ে বেঁচে গেল।’ এ ঘটনায় আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।”
এর আগে গত ১০ মার্চ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কিছু মেসেজের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, ‘দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ওই পোস্টে তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন।’
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে শুক্রবার সকালে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব আলী হোসেন এবং জাতীয় বিপ্লবী মঞ্চের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াসসহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগুনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে একটি লাকড়ির ঘরে আগুনের চিহ্ন এবং বসতঘরের টিনের বেড়ায় তিনটি কোপের দাগ দেখা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।