জমি নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ, আহত ১৫
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সোমা আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত সোমা আক্তার ওই গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলা কোনাপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম এবং তার মৃত ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে শাহীন মিয়ার মধ্যে মাত্র ৯ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার সকালে শাহীন মিয়া ভাড়াটে লোকজন নিয়ে ওই বিরোধপূর্ণ জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি ভরাট করতে যান। এতে নূরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি এবং পরে তা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালীন প্রতিপক্ষের হামলায় সোমা আক্তার গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত ১৫ জনের মধ্যে সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডি
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সোমা আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত সোমা আক্তার ওই গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলা কোনাপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম এবং তার মৃত ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে শাহীন মিয়ার মধ্যে মাত্র ৯ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার সকালে শাহীন মিয়া ভাড়াটে লোকজন নিয়ে ওই বিরোধপূর্ণ জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি ভরাট করতে যান। এতে নূরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি এবং পরে তা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষ চলাকালীন প্রতিপক্ষের হামলায় সোমা আক্তার গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আহত ১৫ জনের মধ্যে সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন, আসমা আক্তার (৪৫), সোহেল (৩৬), হারুনা আক্তার (৬০), শিখা আক্তার (২০), শারমিন আক্তার (২৫), নূরুল ইসলাম (৬০) ও শাহীন মিয়া (৩২)। বাকিরা স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
নিহতের স্বজনদের দাবি, তাদের ভোগ-দখলকৃত জমি শাহীন মিয়া পেশী শক্তিতে দখল করার চেষ্টা করছিলেন। এর আগেও এই জমি নিয়ে উত্তেজনা ছিল। বুধবার সকালে জোরপূর্বক মাটি ভরাট করতে বাধা দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?