জাবিতে পরীক্ষা চলাকালীন এসিতে আগুন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দর্শন বিভাগে পরীক্ষা চলাকালীন একটি কক্ষে এসিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিভাগের ১০৩ নম্বর কক্ষে টিউটোরিয়াল পরীক্ষা চলাকালীন এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইঁদুর তার কেটে দেওয়ায় ওয়্যারিং সমস্যার সৃষ্টি হয়ে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী দর্শন বিভাগের ৫৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী জুবায়ের হোসেন বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমাদের পরীক্ষা চলছিল। এসি চালু করার দুই-তিন মিনিটের মধ্যেই পোড়া গন্ধ পাই। পরে দেখি এসির তারে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা স্যারকে জানাই। কাইং, ইমন ও টুটনসহ আমরা কয়েকজন দ্রুত কক্ষ থেকে বের হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করি। হাতের কাছে তেমন কিছু না পেয়ে গাছের ডাল দিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হই। ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুর বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও এটি আমাদের জন

জাবিতে পরীক্ষা চলাকালীন এসিতে আগুন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দর্শন বিভাগে পরীক্ষা চলাকালীন একটি কক্ষে এসিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিভাগের ১০৩ নম্বর কক্ষে টিউটোরিয়াল পরীক্ষা চলাকালীন এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিকভাবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইঁদুর তার কেটে দেওয়ায় ওয়্যারিং সমস্যার সৃষ্টি হয়ে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী দর্শন বিভাগের ৫৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী জুবায়ের হোসেন বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমাদের পরীক্ষা চলছিল। এসি চালু করার দুই-তিন মিনিটের মধ্যেই পোড়া গন্ধ পাই। পরে দেখি এসির তারে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা স্যারকে জানাই। কাইং, ইমন ও টুটনসহ আমরা কয়েকজন দ্রুত কক্ষ থেকে বের হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করি। হাতের কাছে তেমন কিছু না পেয়ে গাছের ডাল দিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হই।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুর বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও এটি আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। বিভাগের এসি ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম প্রায় ১১ বছর পুরোনো। দীর্ঘদিন কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, আগুন লাগার পর বিভাগের ভেতর, অনুষদ কিংবা প্রশাসনিক ভবনে কোথাও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র পাওয়া যায়নি। এ বিষয়টি প্রশাসনের গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত।

শিক্ষার্থীদের সাহসিকতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিত বুদ্ধি ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় গাছের ডাল, বালু ও পানি ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ফলে অল্পের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো গেছে।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, আগুন লাগার ঘটনার পর থেকে ক্লাসে অংশ নিতেও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছি।

মো. রকিব হাসান প্রান্ত/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow