জুলাই যোদ্ধা আজিজুরকে অটোরিকশা উপহার প্রধানমন্ত্রীর
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হওয়া শেখ আজিজুর রহমানকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আত্মকর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহে সহায়তার লক্ষ্যে তাকে এ উপহার দেওয়া হয়। শনিবার (০৮ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে এই উপহার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় আজিজুর ও তার বাবার সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলে তাদের শারীরিক অবস্থা, পরিবার ও জীবিকা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, অবশ্যই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। আজিজুর নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের দেবী গ্রামের সন্তান। সে ঢাকার মিরপুরে বসবাস করেন। তিনি মিরপুর বাংলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং অত্র কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি অটোরিকশা চালিয়ে নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের ভরণপোষণ করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মিরপুর-১০
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হওয়া শেখ আজিজুর রহমানকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আত্মকর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহে সহায়তার লক্ষ্যে তাকে এ উপহার দেওয়া হয়।
শনিবার (০৮ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে এই উপহার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় আজিজুর ও তার বাবার সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলে তাদের শারীরিক অবস্থা, পরিবার ও জীবিকা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, অবশ্যই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
আজিজুর নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের দেবী গ্রামের সন্তান। সে ঢাকার মিরপুরে বসবাস করেন। তিনি মিরপুর বাংলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং অত্র কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি অটোরিকশা চালিয়ে নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের ভরণপোষণ করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মিরপুর-১০ এলাকায় অংশ নিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার শরীরে ৩৬টি গুলির স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়। মিরপুর ১০ ফ্লাইওভারের ওপর দাঁড়িয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে।
এর আগে ২৫ জুলাই ২০২৬ ‘ফ্লাইওভারে ওড়ানো সেই পতাকা প্রধানমন্ত্রীকে দিতে চান গুলিবিদ্ধ আজিজুর’ এই শিরোনামে দৈনিক কালবেলায় একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে সহকারী প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে আজিজুরের ব্যপারে খোঁজ নিতে বলেন। ৩০ জুলাই সেই রক্তমাখা পতাকা হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে ওই পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন শেখ আজিজুর রহমান।
What's Your Reaction?