ঝুট দখল নিয়ে সংঘর্ষ, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন এলাকায় ঝুট (কারখানার কাপড়ের বর্জ্য) ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঝুটবোঝাই একটি ট্রাক থেকে মালামাল লুট, নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।  শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে বাসন থানার অধীন একটি শিল্পাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খান ট্রেডিংয়ের প্রোপ্রাইটর কৌশিক খানের সঙ্গে ম্যানল ফ্যাশন গার্মেন্টসের ঝুট ক্রয়-বিক্রয়ের একটি চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী শনিবার ঝুট কিনতে গেলে অতর্কিত হামলার শিকার হন তারা। এ সময় কিছু দুর্বৃত্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।  হামলাকারীদের অনেকের হাতে দেশীয় অস্ত্র রামদা ছিল। হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। হামলাকারীরা একটি মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দিয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ঝুটবোঝাই ট্রাকটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই হামলাকারীরা ট্রাকটি থামিয়ে ঝুট লুটের চেষ্টা করে। এ সময় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। বাসন থানা এলাকার বিএনপির নেতা সিরাজুল হক, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম এবং ওয়ার্ড যুবদলের

ঝুট দখল নিয়ে সংঘর্ষ, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ
গাজীপুর মহানগরের বাসন এলাকায় ঝুট (কারখানার কাপড়ের বর্জ্য) ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঝুটবোঝাই একটি ট্রাক থেকে মালামাল লুট, নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।  শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে বাসন থানার অধীন একটি শিল্পাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খান ট্রেডিংয়ের প্রোপ্রাইটর কৌশিক খানের সঙ্গে ম্যানল ফ্যাশন গার্মেন্টসের ঝুট ক্রয়-বিক্রয়ের একটি চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী শনিবার ঝুট কিনতে গেলে অতর্কিত হামলার শিকার হন তারা। এ সময় কিছু দুর্বৃত্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।  হামলাকারীদের অনেকের হাতে দেশীয় অস্ত্র রামদা ছিল। হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। হামলাকারীরা একটি মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দিয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ঝুটবোঝাই ট্রাকটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই হামলাকারীরা ট্রাকটি থামিয়ে ঝুট লুটের চেষ্টা করে। এ সময় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। বাসন থানা এলাকার বিএনপির নেতা সিরাজুল হক, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি নাজমুলের নেতৃত্বে প্রায় দুই থেকে আড়াই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলায় অংশ নেয়।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের হাতে রামদা, লাঠিসোঁটা ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় এবং ঘটনাস্থলে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। বাসন থানার ওসি মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  তিনি আরও বলেন, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow