টিকটক তারকা সানা ইউসুফকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

পাকিস্তানের একটি আদালত জনপ্রিয় টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম তারকা সানা ইউসুফ হত্যার দায়ে ২৩ বছর বয়সী উমর হায়াতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। গত বছরের ২ জুন ইসলামাবাদে নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ১৭ বছর বয়সী সানা ইউসুফ। এ ঘটনায় আবারও পাকিস্তানে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। রায়ের পর আদালতের বাইরে সানার বাবা হাসান ইউসুফ বলেন, এই রায় শুধু আমার জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য। এটি অপরাধীদের জন্য একটি শিক্ষা। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যেই ইসলামাবাদ থেকে প্রায় ৩২০ কিলোমিটার দূরের ফয়সালাবাদ শহর থেকে ওমর হায়াতকে গ্রেফতার করা হয়। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে দেওয়া এক জবানবন্দিতে হায়াত হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, অনলাইনে যোগাযোগের পর সানার প্রতি একতরফা আসক্তি তৈরি হয়েছিল তার। জবানবন্দিতে বলা হয়, সানার জন্মদিন উপলক্ষে মে মাসের শেষ দিকে ইসলামাবাদে গিয়েছিলেন হায়াত। কিন্তু তাদের দেখা হয়নি। পরে সানা দেখা করতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি সন্দেহ করেন যে ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। এরপর ২ জুন দেখা করার সিদ্ধান্ত হয়। সেদিন একটি গাড়ি ভাড়া করে এবং একটি পিস্তল নিয়ে

টিকটক তারকা সানা ইউসুফকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

পাকিস্তানের একটি আদালত জনপ্রিয় টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম তারকা সানা ইউসুফ হত্যার দায়ে ২৩ বছর বয়সী উমর হায়াতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

গত বছরের ২ জুন ইসলামাবাদে নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ১৭ বছর বয়সী সানা ইউসুফ। এ ঘটনায় আবারও পাকিস্তানে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

রায়ের পর আদালতের বাইরে সানার বাবা হাসান ইউসুফ বলেন, এই রায় শুধু আমার জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য। এটি অপরাধীদের জন্য একটি শিক্ষা।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যেই ইসলামাবাদ থেকে প্রায় ৩২০ কিলোমিটার দূরের ফয়সালাবাদ শহর থেকে ওমর হায়াতকে গ্রেফতার করা হয়।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে দেওয়া এক জবানবন্দিতে হায়াত হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, অনলাইনে যোগাযোগের পর সানার প্রতি একতরফা আসক্তি তৈরি হয়েছিল তার।

জবানবন্দিতে বলা হয়, সানার জন্মদিন উপলক্ষে মে মাসের শেষ দিকে ইসলামাবাদে গিয়েছিলেন হায়াত। কিন্তু তাদের দেখা হয়নি। পরে সানা দেখা করতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি সন্দেহ করেন যে ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এরপর ২ জুন দেখা করার সিদ্ধান্ত হয়। সেদিন একটি গাড়ি ভাড়া করে এবং একটি পিস্তল নিয়ে সানার বাসায় যান তিনি। সানা বাইরে না এলেও কোনোভাবে বাসায় ঢুকে পড়েন। সেখানে তর্কের একপর্যায়ে গুলি করে হত্যা করা হয় সানাকে। ঘটনাটি সানার মা ও খালা প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

তবে পরবর্তী এক বক্তব্যে হায়াত দাবি করেন, তাদের মধ্যে কোনো ঝগড়া হয়নি এবং তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগও ছিল না।

বিশ্লেষকদের মতে, সানা ইউসুফ হত্যাকাণ্ড বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং এটি এমন একটি সামাজিক বাস্তবতার অংশ, যেখানে নারীদের স্বাধীনতা ও সামাজিক উপস্থিতিকে অনেক সময় সহ্য করা হয় না।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow