ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল

আর মাত্র একদিন পর ঈদ। বছর ঘুরে আসা আনন্দের এই দিনটি পরিবার পরিজনের সঙ্গে কাটানোর জন্য নিজ গ্রামে ফিরছেন নারায়ণগঞ্জের অস্থায়ী সাধারণ মানুষ। নাড়ির টানে নীড়ে ফেরা যাত্রীর চাপে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের দ্বিগুণের বেশি চাপ রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হতে দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৯টায় মহাসড়কের সাইনবোর্ড ও শিমরাইল মোড়ের বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ে। সরেজমিনে দেখা যায়, সরকার কর্তৃক ঘোষিত ছুটির প্রথম দু’দিনের তুলনামূলক আজ তৃতীয়দিনে ঘরমুখো মানুষের অধিক চাপ রয়েছে। গন্তব্যে পৌঁছাতে অসংখ্য মানুষ টিকিট কাউন্টারগুলোতে ভিড় করছেন। এদিকে বরাবরের মতো আজও যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। আফরোজা নামের এক যাত্রীর অভিযোগ, বাড়তি ভাড়া আদায় হচ্ছে। তিনি বলেন, সাধারণত চট্টগ্রামের ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা হলেও আজ ৬৫০-৭০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এককথায় অসাধু টিকিট বিক্রেতাদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। তারা পূর্বের মতোই জুলুম করে যাচ্ছেন। জসিম উদ্দিন নামে আরেক যাত্রী বলেন, বাড়তি টাকা দিয়েও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল

আর মাত্র একদিন পর ঈদ। বছর ঘুরে আসা আনন্দের এই দিনটি পরিবার পরিজনের সঙ্গে কাটানোর জন্য নিজ গ্রামে ফিরছেন নারায়ণগঞ্জের অস্থায়ী সাধারণ মানুষ। নাড়ির টানে নীড়ে ফেরা যাত্রীর চাপে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের দ্বিগুণের বেশি চাপ রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হতে দেখা যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৯টায় মহাসড়কের সাইনবোর্ড ও শিমরাইল মোড়ের বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সরকার কর্তৃক ঘোষিত ছুটির প্রথম দু’দিনের তুলনামূলক আজ তৃতীয়দিনে ঘরমুখো মানুষের অধিক চাপ রয়েছে। গন্তব্যে পৌঁছাতে অসংখ্য মানুষ টিকিট কাউন্টারগুলোতে ভিড় করছেন।

এদিকে বরাবরের মতো আজও যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

আফরোজা নামের এক যাত্রীর অভিযোগ, বাড়তি ভাড়া আদায় হচ্ছে। তিনি বলেন, সাধারণত চট্টগ্রামের ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা হলেও আজ ৬৫০-৭০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এককথায় অসাধু টিকিট বিক্রেতাদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। তারা পূর্বের মতোই জুলুম করে যাচ্ছেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল

জসিম উদ্দিন নামে আরেক যাত্রী বলেন, বাড়তি টাকা দিয়েও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ থাকায় অসাধু বাস মালিকরা ঘরমুখো মানুষের ওপর জুলুম করছে।

এ বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, আমি বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছি, কিন্তু বাড়তি ভাড়া আদায়ের সত্যতা পাইনি। ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমাদের শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ৪২ জন সদস্য মোতায়েন আছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমাদের কোনো প্রকার গাফিলতি নেই। যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং আশাবাদী এ বছর যানজটের কোনোরকম ভোগান্তি ঘটবে না।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শ্রী কৃষ্ণপদ বলেন, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আমাদের কাঁচপুর হাইওয়ে থানা থেকে ৮২ জন পুলিশ কাজ করছে। মহাসড়ক ফাঁকা রয়েছে। সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি যাচ্ছেন। আমরা সর্বক্ষণ সড়কে রয়েছি।

অপরদিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন জানিয়েছেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চলাচল সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৮টি পয়েন্টে পেট্রোল টিম কাজ করছে। শুধু তাই নয়, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্টও বসানো হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তায় সর্বদা র‍্যাবের সদস্যরা মাঠে আছেন।

মো.আকাশ/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow