ঢাবি শিবিরের কর্মসূচিতে ব্যারিস্টার আরমানের মোবাইল চুরি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রশিবিরের আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এসে মোবাইল ফোন খুইয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনেরে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান। শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি উজ্জীবিত রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির বটতলা এলাকায় ‘জুলাই প্রদর্শনী’র আয়োজন করে। কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ সম্প্রচারের জন্য ব্যারিস্টার আরমান উপস্থিত এক ব্যক্তির হাতে মোবাইল ফোনটি দেন। কিছুক্ষণ পর লাইভ চলা অবস্থাতেই ওই ব্যক্তি ফোনটি নিয়ে সেখান থেকে চলে যান। পরে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্র সংসদের এজিএস মুশফিক তাজওয়ার মাহির বলেন, ‘জুলাই প্রদর্শনীর অনুষ্ঠান থেকে ব্যারিস্টার আরমানের মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। আরমান ভাই গলায় কার্ড ঝোলানো এক ব্যক্তিকে লাইভ করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, ছেলেটি আয়োজক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রশিবিরের আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এসে মোবাইল ফোন খুইয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনেরে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান। শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি উজ্জীবিত রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির বটতলা এলাকায় ‘জুলাই প্রদর্শনী’র আয়োজন করে। কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ সম্প্রচারের জন্য ব্যারিস্টার আরমান উপস্থিত এক ব্যক্তির হাতে মোবাইল ফোনটি দেন। কিছুক্ষণ পর লাইভ চলা অবস্থাতেই ওই ব্যক্তি ফোনটি নিয়ে সেখান থেকে চলে যান। পরে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্র সংসদের এজিএস মুশফিক তাজওয়ার মাহির বলেন, ‘জুলাই প্রদর্শনীর অনুষ্ঠান থেকে ব্যারিস্টার আরমানের মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। আরমান ভাই গলায় কার্ড ঝোলানো এক ব্যক্তিকে লাইভ করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, ছেলেটি আয়োজকদেরই একজন। কিন্তু পরে জানা যায়, তিনি আয়োজকদের কেউ নন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ডেকোরেশনের কাজে যুক্ত ছিলেন।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই ব্যারিস্টার আরমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শাহবাগ থানায় যান এবং সেখানে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার এএসআই জুয়েল মজুমদার বলেন, ‘ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’