তরুণদের বৈশ্বিক শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত হতে সহযোগিতা করবে জার্মানি : জার্মান রাষ্ট্রদূত
কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণদের বৈশ্বিক শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত হতে জার্মানি সহযোগিতা করবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. হুডিগার লটজ।
বুধবার (২০ মে) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও জার্মান গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ফ্রেডরিক এবার্ট স্টিফটাং (এফইএস)-এর সহযোগিতায় ‘মিট দ্যা অ্যাম্বাসেডর; টকিং ডিপ্লোম্যাসি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. হুডিগার লটজ আরও বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে এই অর্থবহ সংলাপে অংশ নিতে পেরে আমি অত্যন্ত অনুপ্রাণিত। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রকৃত রূপকার এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব তাদের হাতেই। সাম্প্রতিক জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে, তা একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক অংশীদার এবং আমি বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা ও শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ২০
কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণদের বৈশ্বিক শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত হতে জার্মানি সহযোগিতা করবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. হুডিগার লটজ।
বুধবার (২০ মে) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও জার্মান গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ফ্রেডরিক এবার্ট স্টিফটাং (এফইএস)-এর সহযোগিতায় ‘মিট দ্যা অ্যাম্বাসেডর; টকিং ডিপ্লোম্যাসি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. হুডিগার লটজ আরও বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে এই অর্থবহ সংলাপে অংশ নিতে পেরে আমি অত্যন্ত অনুপ্রাণিত। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রকৃত রূপকার এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব তাদের হাতেই। সাম্প্রতিক জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে, তা একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক অংশীদার এবং আমি বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা ও শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ২০টি অর্থনীতির একটিতে পরিণত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রাখে। বাংলাদেশ ও জার্মানির এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন কেবল সাহায্য-নির্ভর নয়, বরং একটি কৌশলগত অংশীদারত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, জার্মানি বাংলাদেশের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং দেশটি আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও উদ্ভাবনের এক অনন্য প্রতীক। সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর, সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং দেশ পুনর্গঠনে আমাদের এই মেধাবী ও উদ্যমী যুবসমাজকে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা আজ সময়ের দাবি। আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী গবেষণা এবং শিল্পের সাথে আরও বেশি সংযোগ স্থাপন করতে চাই।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লু রহমান, ফ্রেডরিক এবার্ট স্টিফটাংয়ের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফেলিক্স গারডেসসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।