তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বেই উন্নয়নের শিখরে উঠবে বাংলাদেশ: আমান 

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুপরিকল্পিত কর্মপরিকল্পনা ও উন্নয়নমুখী চিন্তার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্নয়নের নতুন শিখরে পৌঁছাবে।  তিনি বলেন, তারেক রহমানের ছোঁয়ায় উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাবে বাংলাদেশ। তার নেতৃত্বে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে উঠবে এটাই দেশের কোটি মানুষের প্রত্যাশা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের সিরাজনগর এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগের মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আমান উল্লাহ আমান বলেন, দেশের উন্নয়ন তখনই টেকসই হবে, যখন মানুষের জীবন, সম্পদ ও বসতভিটা নিরাপদ থাকবে। নদীভাঙন দীর্ঘদিন ধরে নদীতীরবর্তী মানুষের জন্য একটি বড় দুর্ভোগের কারণ। তাই ভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। জিও ব্যাগের মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভাঙনের ঝুঁকি কমবে এবং হাজারো পরিবারের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষা পাবে। তিন

তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বেই উন্নয়নের শিখরে উঠবে বাংলাদেশ: আমান 

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুপরিকল্পিত কর্মপরিকল্পনা ও উন্নয়নমুখী চিন্তার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্নয়নের নতুন শিখরে পৌঁছাবে। 

তিনি বলেন, তারেক রহমানের ছোঁয়ায় উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাবে বাংলাদেশ। তার নেতৃত্বে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে উঠবে এটাই দেশের কোটি মানুষের প্রত্যাশা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের সিরাজনগর এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগের মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, দেশের উন্নয়ন তখনই টেকসই হবে, যখন মানুষের জীবন, সম্পদ ও বসতভিটা নিরাপদ থাকবে। নদীভাঙন দীর্ঘদিন ধরে নদীতীরবর্তী মানুষের জন্য একটি বড় দুর্ভোগের কারণ। তাই ভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। জিও ব্যাগের মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভাঙনের ঝুঁকি কমবে এবং হাজারো পরিবারের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

সংসদ সদস্য বলেন, উন্নয়নের সুফল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুফল ভোগ করতে পারে।

নদীতীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং দ্রুত ও মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আশরাফ বাবু, সিরাজনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বাবুল মিয়া, তারানগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশীদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow