থানা থেকে পালাল আসামি
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিষয়টি জানাজানি হয়। তবে সোমবার (৩০ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, উপপরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার ইসমাঈলকে থানায় নিয়ে আসেন এবং পরে তাকে সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের কক্ষে বসানো হয়। সেখান থেকেই তিনি পালিয়ে যান। এ বিষয়ে এসআই অজিত কুমার বলেন, তাকে থানায় ডাকা হয়েছিল। কথাবার্তা শেষে তিনি চলে যান। তিনি আরও বলেন, হয়তো পুলিশ দেখে দৌড়ে পালিয়ে গেছে। আমরা অভিযান চালাচ্ছি, তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। এসআই জহিরুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোনো আসামির বিষয়ে তিনি অবগত নন। নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আল মেহেদী জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তবে এখনও স্পষ্ট কিছু পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, ঘটনাটির বিষয়ে আমরা খবর নিচ্ছি, পরবর্তীতে জানানো হবে। এর আগে গত ২৩ ও ২৪ মার্চ আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের চরকমলাপুর এলাকায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধারালো অস্ত্রসহ সশস
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিষয়টি জানাজানি হয়। তবে সোমবার (৩০ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপপরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার ইসমাঈলকে থানায় নিয়ে আসেন এবং পরে তাকে সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের কক্ষে বসানো হয়। সেখান থেকেই তিনি পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে এসআই অজিত কুমার বলেন, তাকে থানায় ডাকা হয়েছিল। কথাবার্তা শেষে তিনি চলে যান। তিনি আরও বলেন, হয়তো পুলিশ দেখে দৌড়ে পালিয়ে গেছে। আমরা অভিযান চালাচ্ছি, তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
এসআই জহিরুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোনো আসামির বিষয়ে তিনি অবগত নন।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আল মেহেদী জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তবে এখনও স্পষ্ট কিছু পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, ঘটনাটির বিষয়ে আমরা খবর নিচ্ছি, পরবর্তীতে জানানো হবে।
এর আগে গত ২৩ ও ২৪ মার্চ আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের চরকমলাপুর এলাকায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধারালো অস্ত্রসহ সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- আব্দুল্লাহ (৩৭), মাছুম (৩৫), ইয়াহিয়া (৫০), ইয়ানুছ (৪০), ইসমাঈল (৩০), জালাল (২৮), জাকারিয়া (৪৮), ইয়াছিন (২০), হাবিরুল্লাহ (৬০), মাহাবুল্লাহ (৫৫), রোমান (২৬), সবুজ (৩০), জুয়েল (২২)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে চরকমলাপুর এলাকার হাবিবুল্লাহর ছেলে ইসমাঈলকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে থানার একটি কক্ষে বসানো হলে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। থানার সিসিটিভি ফুটেজেও এ ঘটনার প্রমাণ রয়েছে বলে তারা জানান।
What's Your Reaction?