দর্শকদের প্রতি মঞ্চেই পরীমণির আবেগী বার্তা
ডিজিটাল কৃত্রিমতা আর যান্ত্রিক ব্যস্ততা থেকে দূরে সরেয় জীবনকে উপভোগ্য ও আনন্দময় করে তোলার বার্তা দিলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি। ডিজিটাল পর্দার কৃত্রিম আলো আর রেকর্ডিংয়ের যান্ত্রিকতা পেরিয়ে জীবনের আসল আনন্দ খুঁজে নেওয়ার পরীমণির এই মন্তব্য এখন শোবিজ জগতের প্রধান আলোচনার বিষয়। গত ২৯ জুলাই ‘বিডি মোস্ট স্টাইলিশ অ্যাওয়ার্ড সিজন-২’ জমকালো আয়োজনে উপস্থিত হয়ে ঢালিউড কুইন ভক্তদের এই বার্তা দেন। অনুষ্ঠানে গুণী নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়ার জন্য মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয় পরীমণিকে। মঞ্চে উঠে স্মারক হস্তান্তরের পর পুরো মিলনায়তনে আনন্দের ঢেউ তুলতে সবাইকে হাততালি দেওয়ার জন্য ইশারা করেন এই চিত্রনায়িকা। কিন্তু চোখ মেলে দেখতে পান এক অদ্ভূত দৃশ্য! উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা সেই আনন্দঘন মুহূর্তটিকে উপভোগ না করে ব্যস্ত হয়ে পড়েন মোবাইলের স্ক্রিনে বন্দি করতে। প্রায় সবার হাতই তখন আটকে ছিল ক্যামেরার রেকর্ডিং বাটনে। দর্শকদের এই ডিজিটাল কৃত্রিমতা আর যান্ত্রিক ব্যস্ততা ছুঁয়ে যায় পরীমণির হৃদয়। মুহূর্তেই মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে গম্ভীর অথচ পরম আবেগী কণ্ঠে তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলে
ডিজিটাল কৃত্রিমতা আর যান্ত্রিক ব্যস্ততা থেকে দূরে সরেয় জীবনকে উপভোগ্য ও আনন্দময় করে তোলার বার্তা দিলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি। ডিজিটাল পর্দার কৃত্রিম আলো আর রেকর্ডিংয়ের যান্ত্রিকতা পেরিয়ে জীবনের আসল আনন্দ খুঁজে নেওয়ার পরীমণির এই মন্তব্য এখন শোবিজ জগতের প্রধান আলোচনার বিষয়।
গত ২৯ জুলাই ‘বিডি মোস্ট স্টাইলিশ অ্যাওয়ার্ড সিজন-২’ জমকালো আয়োজনে উপস্থিত হয়ে ঢালিউড কুইন ভক্তদের এই বার্তা দেন। অনুষ্ঠানে গুণী নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়ার জন্য মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয় পরীমণিকে।
মঞ্চে উঠে স্মারক হস্তান্তরের পর পুরো মিলনায়তনে আনন্দের ঢেউ তুলতে সবাইকে হাততালি দেওয়ার জন্য ইশারা করেন এই চিত্রনায়িকা। কিন্তু চোখ মেলে দেখতে পান এক অদ্ভূত দৃশ্য! উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা সেই আনন্দঘন মুহূর্তটিকে উপভোগ না করে ব্যস্ত হয়ে পড়েন মোবাইলের স্ক্রিনে বন্দি করতে। প্রায় সবার হাতই তখন আটকে ছিল ক্যামেরার রেকর্ডিং বাটনে।
দর্শকদের এই ডিজিটাল কৃত্রিমতা আর যান্ত্রিক ব্যস্ততা ছুঁয়ে যায় পরীমণির হৃদয়। মুহূর্তেই মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে গম্ভীর অথচ পরম আবেগী কণ্ঠে তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন—‘জীবনে একটা তালি অনেক বড়। জীবনটাকে উদযাপন করা অনেক বড় একটা মোমেন্ট। আপনারা যদি সবাই মোবাইল হাতে নিয়ে ডলার উদযাপন করেন, ডলার তো ফুরিয়ে যাবে! জীবন উদযাপন করা ফুরাবে না, ওটা সারাজীবন থেকেই যাবে।’
পরীমণি আবেগভরা কণ্ঠে আরও বলেন, ‘এসব ভিডিও একদিন ডিলিট করে দিলে সব শেষ! কিন্তু জীবনটাকে যদি সত্যিই উদযাপন করতে পারেন, তবে অনেক সুখে থাকবেন।’
ভার্চুয়াল দুনিয়ার মোহ ছেড়ে বাস্তব জীবনকে হৃদয় দিয়ে অনুভবের এমন দার্শনিক বার্তা দিয়ে উপস্থিত সবাইকে ক্ষণিকের জন্য হলেও ভাবিয়ে তোলেন পরীমণি। নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়া মিলনায়তনটি মুহূর্তে মুখর হয়ে ওঠে করতালি আর প্রশংসায়।
What's Your Reaction?