দিনে কতবার ব্লাড প্রেশার মাপবেন?

উচ্চ রক্তচাপ হলো সাইলেন্ট কিলার। বেশিরভাগ সময়ই এটি কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই শরীরের ভেতরে ক্ষতি করতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই কোনো উপসর্গ থাকে না। ফলে মানুষ বুঝতেই পারেন না যে ভেতরে ভেতরে ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, বছরে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় রক্তচাপ মাপা যথেষ্ট নয়। কারণ রক্তচাপ দিনে একাধিকবার ওঠানামা করে। কতবার মাপবেনযাদের বয়স ২০ পার হয়েছে, তাদের অন্তত একবার রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত।স্বাভাবিক হলে খুব ঘনঘন করার প্রয়োজন নেই। তবে বয়স ৩০ পেরোলেই নিয়মিত নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই বয়সের পর অন্তত প্রতি ছয় মাসে একবার রক্তচাপ মাপা ভালো। আর পরিবারে যদি উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস থাকে, বা আগে থেকেই সমস্যা ধরা পড়ে থাকে, তাহলে আরও নিয়মিত পরীক্ষা দরকার। যারা ইতিমধ্যেই হাই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন, তাদের দিনে অন্তত দু’বার সকাল ও সন্ধ্যায় রক্তচাপ মাপা উচিত। এতে গড় মান বোঝা যায় এবং চিকিৎসকের পক্ষে ওষুধ বা চিকিৎসা পরিকল্পনা ঠিক করা সহজ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘরের শান্ত পরিবেশে ডিজিটাল মেশিনে মাপা অনেক সময় বেশি নির্ভরযোগ্য। কারণ হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গেলে ভয় বা টেনশনের কারণে সাময়িকভাবে রক্তচাপ বেড়ে যে

দিনে কতবার ব্লাড প্রেশার মাপবেন?

উচ্চ রক্তচাপ হলো সাইলেন্ট কিলার। বেশিরভাগ সময়ই এটি কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই শরীরের ভেতরে ক্ষতি করতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই কোনো উপসর্গ থাকে না। ফলে মানুষ বুঝতেই পারেন না যে ভেতরে ভেতরে ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, বছরে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় রক্তচাপ মাপা যথেষ্ট নয়। কারণ রক্তচাপ দিনে একাধিকবার ওঠানামা করে।

কতবার মাপবেন
যাদের বয়স ২০ পার হয়েছে, তাদের অন্তত একবার রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত।স্বাভাবিক হলে খুব ঘনঘন করার প্রয়োজন নেই। তবে বয়স ৩০ পেরোলেই নিয়মিত নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই বয়সের পর অন্তত প্রতি ছয় মাসে একবার রক্তচাপ মাপা ভালো। আর পরিবারে যদি উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস থাকে, বা আগে থেকেই সমস্যা ধরা পড়ে থাকে, তাহলে আরও নিয়মিত পরীক্ষা দরকার।

যারা ইতিমধ্যেই হাই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন, তাদের দিনে অন্তত দু’বার সকাল ও সন্ধ্যায় রক্তচাপ মাপা উচিত। এতে গড় মান বোঝা যায় এবং চিকিৎসকের পক্ষে ওষুধ বা চিকিৎসা পরিকল্পনা ঠিক করা সহজ হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘরের শান্ত পরিবেশে ডিজিটাল মেশিনে মাপা অনেক সময় বেশি নির্ভরযোগ্য। কারণ হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গেলে ভয় বা টেনশনের কারণে সাময়িকভাবে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ মাপার পাশাপাশি জীবনযাপনের দিকেও নজর দিতে হবে। লবণ কম খাওয়া, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত ঘুম এসব ছোট অভ্যাসই বড় সুরক্ষা দেয়। প্রয়োজনে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। নিয়মিত রক্তচাপ মাপা মানে শুধু একটি সংখ্যা জানা নয়, বরং নিজের হৃদয় ও ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত রাখা। সময় থাকতে সতর্ক হলেই অনেক বড় ঝুঁকি এড়িয়ে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন:
উচ্চ রক্তচাপ: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও উত্তেজনা ডেকে আনতে পারে বিপদ 
বাড়িতে একা থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক হলে কী করবেন 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow