দিল্লিতে নিজেদের দাবিতে অনড় বিক্ষোভকারীরা, ছাড়েননি রাজপথ
পুলিশের ব্যাপক টিয়ারগ্যাস, তীব্র লাঠিচার্জ এবং বহু সহযোদ্ধা রক্তাক্ত ও আহত হওয়ার পরও দিল্লির রাজপথ ছাড়েননি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজধানীর ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে চলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে জড়ো হওয়া হাজার হাজার তরুণ। পুলিশি অ্যাকশনে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লেও আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের মূল দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। সোমবার (২০ জুলা) ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রায় পুলিশি তাণ্ডবে প্রায় ৯০ জন আন্দোলনকারী আহত হওয়ার পর সাময়িকভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও, শিক্ষার্থীরা পুনরায় যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে তাদের অবস্থান সুসংহত করেছেন। আন্দোলনকারীরা বর্তমানে মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবিতে অনড় প্রথমত, নিট প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ। দ্বিতীয়ত, প্রশ্নফাঁসের জেরে মানসিক কষ্টে আত্মহত্যা করা প্রতিটি নিট পরীক্ষার্থীর পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান। তৃতীয়ত, বিক্ষোভ
পুলিশের ব্যাপক টিয়ারগ্যাস, তীব্র লাঠিচার্জ এবং বহু সহযোদ্ধা রক্তাক্ত ও আহত হওয়ার পরও দিল্লির রাজপথ ছাড়েননি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজধানীর ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে চলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে জড়ো হওয়া হাজার হাজার তরুণ।
পুলিশি অ্যাকশনে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লেও আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের মূল দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।
সোমবার (২০ জুলা) ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রায় পুলিশি তাণ্ডবে প্রায় ৯০ জন আন্দোলনকারী আহত হওয়ার পর সাময়িকভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও, শিক্ষার্থীরা পুনরায় যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে তাদের অবস্থান সুসংহত করেছেন।
আন্দোলনকারীরা বর্তমানে মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবিতে অনড়
প্রথমত, নিট প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ।
দ্বিতীয়ত, প্রশ্নফাঁসের জেরে মানসিক কষ্টে আত্মহত্যা করা প্রতিটি নিট পরীক্ষার্থীর পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান।
তৃতীয়ত, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনের দায়ের করা সব এফআইআর ও আইনি মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কোনো প্রকার দমন-পীড়ন চালিয়ে আন্দোলন দবানো যাবে না। সরকার যদি আলোচনা করতে চায়, তবে তাদের আন্দোলনকারীদের কাছে আসতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের দেওয়া শর্ত মেনেই সেই আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে হবে।
এদিকে, আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর নজরদারি বজায় রাখলেও, শিক্ষার্থীদের দৃঢ় মনোবল ও লাগাতার অবস্থানের কারণে কেন্দ্রীয় প্রশাসন আপাতত পিছু হটেছে। সরকার ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আলোচনার প্রস্তাব ঘুরপাক খেলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান আসেনি। ফলে রাজধানী দিল্লির রাজপথে শিক্ষার্থীদের উত্তাল প্রতিবাদ ও অনড় মনোভাব অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: দ্য হিন্দু
এসএএইচ
What's Your Reaction?