দেখা করতে গিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার হাতে দড়ি, পায়ে শিকল

মোবাইলে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সুবাদে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন প্রেমিক। তবে এসেই পড়েছেন বিপাকে। স্থানীয়রা ধরে হাতে দড়ি ও পায়ে শিকল পরিয়ে বেঁধে রাখেন গাছে। বুধবার (৪ মার্চ) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কাঠালপাড়া এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে কবিরুল ইসলামের সঙ্গে ঈশ্বরদী উপজেলার এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতের কোনো একসময় তরুণীর বাড়িতে আসেন। বুধবার সকালে স্থানীয়রা কবিরুল ইসলামকে ওই বাড়িতে দেখে সন্দেহ হয়। তারা কবিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জানতে পারেন, দীর্ঘদিন ধরে দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। প্রেমের টানে তিনি এসেছেন। পরে উত্তেজিত এলাকাবাসী কবিরুল ও তরুণীকে বাড়ির পাশের গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন এবং পায়ে শিকল পরিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। অভিযুক্ত তরুণী বলেন, ‌‘চার পাঁচ মাস হলো কবিরুলের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। সে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে।’ কবিরুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইলে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। দেখা করার জন্য তার বাড়িতে এসেছি। স্থানীয়রা আমাদের একই ঘরে দেখে বেঁধে

দেখা করতে গিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার হাতে দড়ি, পায়ে শিকল

মোবাইলে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সুবাদে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন প্রেমিক। তবে এসেই পড়েছেন বিপাকে। স্থানীয়রা ধরে হাতে দড়ি ও পায়ে শিকল পরিয়ে বেঁধে রাখেন গাছে।

বুধবার (৪ মার্চ) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কাঠালপাড়া এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে কবিরুল ইসলামের সঙ্গে ঈশ্বরদী উপজেলার এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতের কোনো একসময় তরুণীর বাড়িতে আসেন। বুধবার সকালে স্থানীয়রা কবিরুল ইসলামকে ওই বাড়িতে দেখে সন্দেহ হয়। তারা কবিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জানতে পারেন, দীর্ঘদিন ধরে দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। প্রেমের টানে তিনি এসেছেন। পরে উত্তেজিত এলাকাবাসী কবিরুল ও তরুণীকে বাড়ির পাশের গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন এবং পায়ে শিকল পরিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।

অভিযুক্ত তরুণী বলেন, ‌‘চার পাঁচ মাস হলো কবিরুলের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। সে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে।’

কবিরুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইলে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। দেখা করার জন্য তার বাড়িতে এসেছি। স্থানীয়রা আমাদের একই ঘরে দেখে বেঁধে রেখেছে। আমরা অনৈতিক কোনো কিছু করিনি। শুধু দেখা করার জন্যই এসেছি।’

এ বিষয়ে তরুণীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তারা বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি। তবে সামাজিক বিচারে যা রায় হবে তাই মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন তারা।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘এ গ্রামের কিছু অংশ পাবনা সদর থানার ভেতরে। সদর থানায় যোগাযোগ করুন।’

পরে পাবনা সদর থানার ওসি দুলাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কিছু শুনিনি। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ মহসীন/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow