ধর্মীয় বৈষম্যবিরোধী মানবাধিকার আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান ঐক্য পরিষদের

ধর্মীয় বৈষম্যবিরোধী মানবাধিকার আন্দোলনকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। বুধবার (২০ মে) পরিষদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জাতীয়ভাবে উত্থাপিত সংখ্যালঘুদের আট দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন বক্তারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, কাজল দেবনাথ, জয়ন্তী রায়, অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সন্তোষ শর্মা, রঞ্জন কর্মকার, অ্যাডভোকেট তাপস পাল, অতুল চন্দ্র মণ্ডল, কৃষ্ণ দাস, শিমুল সাহা, দীপংকর চন্দ্র শীল, জয়া ভট্টাচার্য ও সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য। বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত ১৯৭২ এর গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক সংবিধান আজ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। তারা বিভিন্নভাবে বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার। এ বৈষম্যের অবসানে আলেনাচনা সভায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান

ধর্মীয় বৈষম্যবিরোধী মানবাধিকার আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান ঐক্য পরিষদের

ধর্মীয় বৈষম্যবিরোধী মানবাধিকার আন্দোলনকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

বুধবার (২০ মে) পরিষদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

একই সঙ্গে জাতীয়ভাবে উত্থাপিত সংখ্যালঘুদের আট দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন বক্তারা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, কাজল দেবনাথ, জয়ন্তী রায়, অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সন্তোষ শর্মা, রঞ্জন কর্মকার, অ্যাডভোকেট তাপস পাল, অতুল চন্দ্র মণ্ডল, কৃষ্ণ দাস, শিমুল সাহা, দীপংকর চন্দ্র শীল, জয়া ভট্টাচার্য ও সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য।

বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত ১৯৭২ এর গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক সংবিধান আজ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। তারা বিভিন্নভাবে বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার। এ বৈষম্যের অবসানে আলেনাচনা সভায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow