ধর্ষণে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী নারী, যুবক গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে মেহেদী (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগীর এক স্বজন বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের শেখর বাজারপাড়া টাওয়ার এলাকার বাসিন্দা অহিদ শেখের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন ভুক্তভোগী ওই মানসিক প্রতিবন্ধী নারী। সেখানে গৃহকর্তার ছেলে মেহেদী তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় থানায় মামলাটি নথিভুক্ত হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, ভুক্তভোগী নারী তার মায়ের মামার বাড়িতে বসবাস করতেন। চুয়াডাঙ্গার এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হলেও প্রায় দুই বছর আগে স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তিনি একাই থাকতেন এবং বিভিন্ন স্থানে কাজ ও মানুষের সহায়তায় জীবনযাপন করতেন। সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে স্বজনরা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানতে পারেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী নারী অ

ধর্ষণে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী নারী, যুবক গ্রেপ্তার
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে মেহেদী (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগীর এক স্বজন বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের শেখর বাজারপাড়া টাওয়ার এলাকার বাসিন্দা অহিদ শেখের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন ভুক্তভোগী ওই মানসিক প্রতিবন্ধী নারী। সেখানে গৃহকর্তার ছেলে মেহেদী তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় থানায় মামলাটি নথিভুক্ত হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, ভুক্তভোগী নারী তার মায়ের মামার বাড়িতে বসবাস করতেন। চুয়াডাঙ্গার এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হলেও প্রায় দুই বছর আগে স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তিনি একাই থাকতেন এবং বিভিন্ন স্থানে কাজ ও মানুষের সহায়তায় জীবনযাপন করতেন। সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে স্বজনরা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানতে পারেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্ত মেহেদীর নাম জানান বলে দাবি স্বজনদের। মামলার বাদীপক্ষ এ ঘটনায় অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের পর কঠোর বিচার দাবি করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্তের বাবা অহিদ শেখ ও মা রেখা বেগম দাবি করেন, ভুক্তভোগী নারী মাঝে মাঝে তাদের বাড়িতে কাজ ও খাবারের জন্য আসতেন। তাদের ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনায় ফাঁসানো হচ্ছে। যদি সে অপরাধ করে থাকে তবে বিচার হোক, আর নির্দোষ হলে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগের সত্যতা বের করা হোক। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) শরীফ আব্দুর রশিদ জানান, ভুক্তভোগীর এক আত্মীয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামলা দায়েরের রাতেই অভিযুক্তকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের মেডিকেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভস্থ সন্তানের পিতৃত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow