নিখোঁজের ২২ দিনেও মেলেনি ফারজানার সন্ধান

ফেনী সদরে প্রবাসীর স্ত্রী ফারজানা আক্তার ২২ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ফারজানা। নিখোঁজ ফারজানা (২৭) সদরের ছনুয়া ইউনিয়নের প্রবাসী আবুল বশরের মেয়ে ও দুবাই প্রবাসী শাহাদাতের স্ত্রী। পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্র জানায়, গত ২০১৮ সালে ফারজানার সঙ্গে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার মজুমদার বাড়ির আবুল বাশারের ছেলে দুবাই প্রবাসী শাহাদাতের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে ফারজানা সুখে থাকলেও দেবর শাহপরানের কারণে পরিবারে অশান্তি নেমে আসে। সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৯ জুন শ্বশুর বাড়ি থেকে ফারজানা নিখোঁজ হয়। স্বজনদের দাবি, দেবর শাহ পরানের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে তার ভাবিকে গুম করেছে।  ফারজানার মা সাবিনা ইয়াসমিন অভিযোগ করেন, কুপ্রস্তবে রাজী না হওয়ায় দেবর শাহপরান খেপে ফারজানাকে গুম করে নানা কল্পকাহিনী রটাচ্ছে। ফারজানাকে হত্যা করার জন্য গুম করা হয়েছে বলে সন্দেহ করেন তিনি। জানা গেছে, গত ৯ জুন থেকে ফারজাহানা নিখোঁজ হলেও থানায় মামলা কিংবা সাধারণ ডায়েরি করেনি তার স্বামীর পরিবার। পরবর্তীতে ফেনী থেকে ফারজানার স্বজনরা লা

নিখোঁজের ২২ দিনেও মেলেনি ফারজানার সন্ধান
ফেনী সদরে প্রবাসীর স্ত্রী ফারজানা আক্তার ২২ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ফারজানা। নিখোঁজ ফারজানা (২৭) সদরের ছনুয়া ইউনিয়নের প্রবাসী আবুল বশরের মেয়ে ও দুবাই প্রবাসী শাহাদাতের স্ত্রী। পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্র জানায়, গত ২০১৮ সালে ফারজানার সঙ্গে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার মজুমদার বাড়ির আবুল বাশারের ছেলে দুবাই প্রবাসী শাহাদাতের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে ফারজানা সুখে থাকলেও দেবর শাহপরানের কারণে পরিবারে অশান্তি নেমে আসে। সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৯ জুন শ্বশুর বাড়ি থেকে ফারজানা নিখোঁজ হয়। স্বজনদের দাবি, দেবর শাহ পরানের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে তার ভাবিকে গুম করেছে।  ফারজানার মা সাবিনা ইয়াসমিন অভিযোগ করেন, কুপ্রস্তবে রাজী না হওয়ায় দেবর শাহপরান খেপে ফারজানাকে গুম করে নানা কল্পকাহিনী রটাচ্ছে। ফারজানাকে হত্যা করার জন্য গুম করা হয়েছে বলে সন্দেহ করেন তিনি। জানা গেছে, গত ৯ জুন থেকে ফারজাহানা নিখোঁজ হলেও থানায় মামলা কিংবা সাধারণ ডায়েরি করেনি তার স্বামীর পরিবার। পরবর্তীতে ফেনী থেকে ফারজানার স্বজনরা লাঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে।  নিখোঁজের ৬ দিন পর গত ১৫ জুন ফারজানার পরিবারের অভিযোগ না নিয়ে নাঙ্গলকোট থানার ওসি স্বামীর পরিবারের সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করে।  এদিকে ফারজানাকে খুঁজে পেতে তার মা, ফুফু ও বাবা কুমিল্লা নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ কামনা করেন। নাঙ্গলকোট থানার এসআই ও ঘটনা তদন্ত কর্মকর্তা আশরাফ জানান, পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দেবর শাহপরানকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় ব্যক্তিরা তাকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিখোঁজ ফারজানার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow