নিজ নাগরিকদের ১৪ দেশ ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশ থেকে নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের জেরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই নির্দেশনা দিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরার।
তালিকায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্দান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মধ্যপ্রাচ্যের ১২টির বেশি দেশ ত্যাগ করার জন্য নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার কারণে সৃষ্ট নাগরিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় এই আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
কনস্যুলারবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরা নামদার এক এক্সবার্তায় বলেন, ইরান, ইরাক, জর্দান, লেবানন এবং ইসরাইলে অবস্থানকারী মার্কিন নাগরিকদের এসব দেশ এখনই ত্যাগ করা উচিত। যে যেভাবে পারে, সেভাবেই যেন নিরাপদ গন্তব্যে যাওয়ার ব্যবস্থা করে নেয়।
এই তালিকায় তিনি বাহরাইন, মিসর, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, আমিরাত, সিরিয়া এবং ইয়েমেনকেও উল্লেখ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশ থেকে নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের জেরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই নির্দেশনা দিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরার।
তালিকায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্দান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মধ্যপ্রাচ্যের ১২টির বেশি দেশ ত্যাগ করার জন্য নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার কারণে সৃষ্ট নাগরিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় এই আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
কনস্যুলারবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরা নামদার এক এক্সবার্তায় বলেন, ইরান, ইরাক, জর্দান, লেবানন এবং ইসরাইলে অবস্থানকারী মার্কিন নাগরিকদের এসব দেশ এখনই ত্যাগ করা উচিত। যে যেভাবে পারে, সেভাবেই যেন নিরাপদ গন্তব্যে যাওয়ার ব্যবস্থা করে নেয়।
এই তালিকায় তিনি বাহরাইন, মিসর, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, আমিরাত, সিরিয়া এবং ইয়েমেনকেও উল্লেখ করেন।
মার্কিন এই সতর্কবার্তা এমন এক সময় এলো, যখন বড় বড় একাধিক এয়ারলাইন্স এই অঞ্চলে তাদের ফ্লাইটগুলো স্থগিত করেছে।