চট্টগ্রামে দুই সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের অন্যতম দুটি বৃহৎ সার কারখানা ‘চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড’ (সিইউএফএল) ও ‘কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’ (কাফকো)-এর উৎপাদন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল থেকে কারখানা দুটির উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রাখে কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) থেকে সিইউএফএল-এ দৈনিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং কাফকোতে ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের চুক্তি রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা উত্তেজনা ও যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ায় দেশে গ্যাস সংকট তীব্রতর হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেজিডিসিএল কারখানা দুটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখলে উৎপাদন পুরোপুরি থমকে যায়। সিইউএফএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, গ্যাস সংকটের কারণে বুধবার বিকেল থেকে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এই কারখানায় দৈনিক ১ হাজার ২০০ টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হতো। অন্যদিকে, কাফকোর জিএম (প্রশাসন) মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, কেজিড
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের অন্যতম দুটি বৃহৎ সার কারখানা ‘চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড’ (সিইউএফএল) ও ‘কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’ (কাফকো)-এর উৎপাদন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল থেকে কারখানা দুটির উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রাখে কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) থেকে সিইউএফএল-এ দৈনিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং কাফকোতে ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের চুক্তি রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা উত্তেজনা ও যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ায় দেশে গ্যাস সংকট তীব্রতর হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেজিডিসিএল কারখানা দুটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখলে উৎপাদন পুরোপুরি থমকে যায়।
সিইউএফএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, গ্যাস সংকটের কারণে বুধবার বিকেল থেকে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এই কারখানায় দৈনিক ১ হাজার ২০০ টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হতো।
অন্যদিকে, কাফকোর জিএম (প্রশাসন) মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, কেজিডিসিএল গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা উৎপাদন চালাতে পারছি না। কারখানাটি চালু থাকলে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া উৎপাদিত হয়।
সার মৌসুমে দেশের বড় দুটি কারখানার উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় কৃষিখাতে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পুনরায় উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছে।
What's Your Reaction?