নির্বাচন আয়োজন সার্থক : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনের পরও ভোটারদের মনোভাব ছিল ইতিবাচক- এমন দাবি করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, দুটি ব্যালটে ভোট গ্রহণ এবং বোরকা পরিহিত নারী ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ে কিছুটা সময় দীর্ঘ হলেও ভোটাররা বিরক্ত না হয়ে আনন্দের সঙ্গেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি নিজে ভোটারদের জিজ্ঞেস করেছি—তারা জানিয়েছেন, তাদের কোনো কষ্ট হচ্ছে না। বরং ভোট দিতে পারছেন বলে তারা আনন্দিত। তখন আমাদের মনে হয়েছে, আমাদের আয়োজন সার্থক হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়েই চট্টগ্রামে ভোট সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে, যা বাংলাদেশে আগে কখনো হয়নি। নির্বাচন পরিচালনার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে যারা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অনেকেই এই অঞ্চলের জল-জমি, মানুষ ও পরিবেশের সঙ্গে পূর্বপরিচিত ছিল
চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনের পরও ভোটারদের মনোভাব ছিল ইতিবাচক- এমন দাবি করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, দুটি ব্যালটে ভোট গ্রহণ এবং বোরকা পরিহিত নারী ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ে কিছুটা সময় দীর্ঘ হলেও ভোটাররা বিরক্ত না হয়ে আনন্দের সঙ্গেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি নিজে ভোটারদের জিজ্ঞেস করেছি—তারা জানিয়েছেন, তাদের কোনো কষ্ট হচ্ছে না। বরং ভোট দিতে পারছেন বলে তারা আনন্দিত। তখন আমাদের মনে হয়েছে, আমাদের আয়োজন সার্থক হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জানান, সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়েই চট্টগ্রামে ভোট সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে, যা বাংলাদেশে আগে কখনো হয়নি।
নির্বাচন পরিচালনার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে যারা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অনেকেই এই অঞ্চলের জল-জমি, মানুষ ও পরিবেশের সঙ্গে পূর্বপরিচিত ছিলেন না। একেবারে নতুন একটি সেটআপে নির্বাচন আয়োজন করা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
তবে এটিকে শুধু চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রের ইমেজের প্রশ্ন হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। নতুন বাংলাদেশ গড়তে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য, বলেন জেলা প্রশাসক।
অতীতের নির্বাচনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আগে অভিযোগ ছিল—আমরা মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখতে পারিনি। কিন্তু এবারের পরিবেশ ছিল ভিন্ন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে আন্তরিক ছিল।
তিনি আরও বলেন, আমি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলাম, এবারের নির্বাচনের মূল মানদণ্ড হবে নিরপেক্ষতা। কোনো ধরনের গাফিলতি বা শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট সবাই সেই বার্তা অনুধাবন করেই দায়িত্ব পালন করেছেন, যার ফলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন ও মেধাবী কর্মকর্তাদের প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, সব প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার খুব অভিজ্ঞ ছিলেন না। বাস্তবতার কারণে কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছে। আরও বেশি প্রশিক্ষণ দিতে পারলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করা যেত, বলেন তিনি।
কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে নতুন প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ দিতে হয়েছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক জানান, যাচাই-বাছাই ও অতীত কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করেই তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে নির্বাচন আয়োজনকে ‘সার্থক’ বলে দাবি করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা।
What's Your Reaction?