মরদেহ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার দ্বিতীয় বাইপাস এলাকায় বাসের ধাক্কায় আহত গৃহবধূ চামেলি খাতুনের মৃত্যুর পর তার মরদেহ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরুদ্ধ থাকায় দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। জানা গেছে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বেতগাড়ি এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে একটি ইজিবাইককে ধাক্কা দেয়। এতে জুয়েলের স্ত্রী চামেলি খাতুন গুরুতর আহত হন। পরে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন আহত হন। আহত দুই বছরের শিশু সন্তান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিকে চামেলির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার সকালে তার মরদেহ নিয়ে বেতগাড়ি লিচুতলা বাইপাস মোড়ে অবস্থান নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। কয়েক হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হন। তাদের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এই মোড়ে দ্রুত ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে হবে এবং নিহত ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বগুড়া-৪ আসনের সংসদ
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার দ্বিতীয় বাইপাস এলাকায় বাসের ধাক্কায় আহত গৃহবধূ চামেলি খাতুনের মৃত্যুর পর তার মরদেহ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরুদ্ধ থাকায় দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
জানা গেছে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বেতগাড়ি এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে একটি ইজিবাইককে ধাক্কা দেয়। এতে জুয়েলের স্ত্রী চামেলি খাতুন গুরুতর আহত হন। পরে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন আহত হন। আহত দুই বছরের শিশু সন্তান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে চামেলির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার সকালে তার মরদেহ নিয়ে বেতগাড়ি লিচুতলা বাইপাস মোড়ে অবস্থান নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। কয়েক হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হন। তাদের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এই মোড়ে দ্রুত ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে হবে এবং নিহত ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন। তিনি উপস্থিত জনতার সঙ্গে কথা বলেন এবং দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলেও জানান। আহত শিশু সন্তানের চিকিৎসার জন্য তিনি ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেন।
এ আশ্বাসের পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। তবে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আবারও কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বগুড়া জেলা হাইওয়ের পুলিশ সুপার আবু তোরাব মো. শামছুর রহমান জানান, ওভারপাস নির্মাণের ব্যাপারে স্থানীয়রা দাবি জানিয়েছেন। আমরা এ ব্যাপারে আলোচনা করব। আর জনগণদেরও সচেতনতা বাড়াতে হবে। হাইওয়ে দিয়ে অটোরিকশা চলাচল বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
What's Your Reaction?