নীলসাগরের উদ্ধারকাজ শেষ, স্বাভাবিক হচ্ছে ট্রেন চলাচল

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ পুনরায় সচল হওয়ার পথে। লাইনচ্যুত বগিগুলো আপাতত রেললাইনের পাশে সরিয়ে রেখে দ্রুত মেরামত কাজ চালানো হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী এক ঘণ্টার মধ্যেই এই রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে। রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বগিগুলো লাইন থেকে সরিয়ে পাশে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজ শেষ পর্যায়ে। আমরা আশা করছি, ঘণ্টাখানের মাঝেই লাইনটি ট্রেন চলাচলের জন্য উপযোগী হবে। বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার সাজেদুর রহমান বলেন, বগিগুলো উদ্ধারের পর এখন লাইন সচলের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। লাইন সচল হওয়ার পর প্রথম ট্রেন হিসেবে সীমান্ত এক্সপ্রেস চলাচলের মাধ্যমে এই রুটে যোগাযোগ পুনরায় শুরু হবে। এর আগে বুধবার দুপুরে ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯টি বগি সান্তাহারের কাছে লাইনচ্যুত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আজ বৃহস্পতিবার সকালেও উদ্ধারকারী দল ও প্রকৌশলীরা বিরতিহীনভাবে কাজ চালিয়ে গেছেন। এদিকে দীর্ঘ সময় ট্রেন

নীলসাগরের উদ্ধারকাজ শেষ, স্বাভাবিক হচ্ছে ট্রেন চলাচল

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ পুনরায় সচল হওয়ার পথে। লাইনচ্যুত বগিগুলো আপাতত রেললাইনের পাশে সরিয়ে রেখে দ্রুত মেরামত কাজ চালানো হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী এক ঘণ্টার মধ্যেই এই রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে।

রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বগিগুলো লাইন থেকে সরিয়ে পাশে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজ শেষ পর্যায়ে। আমরা আশা করছি, ঘণ্টাখানের মাঝেই লাইনটি ট্রেন চলাচলের জন্য উপযোগী হবে।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার সাজেদুর রহমান বলেন, বগিগুলো উদ্ধারের পর এখন লাইন সচলের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। লাইন সচল হওয়ার পর প্রথম ট্রেন হিসেবে সীমান্ত এক্সপ্রেস চলাচলের মাধ্যমে এই রুটে যোগাযোগ পুনরায় শুরু হবে।

এর আগে বুধবার দুপুরে ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯টি বগি সান্তাহারের কাছে লাইনচ্যুত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আজ বৃহস্পতিবার সকালেও উদ্ধারকারী দল ও প্রকৌশলীরা বিরতিহীনভাবে কাজ চালিয়ে গেছেন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ও ট্রান্সশিপমেন্ট বা বিকল্প ট্রেনে যাতায়াতের কারণে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে মালামালসহ হেঁটে দুর্ঘটনাস্থল পার হতে গিয়ে যাত্রীদের নাজেহাল হতে হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আপাতত লাইন সচল করে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও পূর্ণাঙ্গ মেরামতের কাজ আরও কিছু সময় চলবে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তাদের কাজ শুরু করেছে।

এল.বি/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow