নেশার টাকার জন্য নির্যাতন, মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন মা
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতন ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এক মা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকসেবন ও বিক্রির অপরাধে ওই যুবককে ১০ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। সোমবার (১৩ জুলাই) উপজেলার সদর এলাকার সানেরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত আল আমিন (২৬) খুরশিদা বেগম ও মোস্তাফিজুর খানের একমাত্র ছেলে। থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আল আমিন মাদকসেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নেশার টাকা না পেলেই তিনি মাকে মারধর করতেন এবং পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করতেন। পরিবারের সদস্যরা বহুবার তাকে সঠিক পথে ফেরানোর চেষ্টা করলেও কোনো ফল হয়নি। একপর্যায়ে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবারের পরামর্শে রাজৈর থানায় অভিযোগ করেন খুরশিদা বেগম। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে তার ভাড়া বাসা থেকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে পাঁচ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। খুরশিদা বেগম বলেন, অনেক চেষ্টা করেও ছেলের নেশা ছাড়াতে পারিনি। তার স্ত্রীও সংসার ছেড়ে চলে গেছে। সে শুধু নিজের জীবনই নয়, আশপাশের অল্পবয়সী ছেলেদেরও মাদকের পথে ঠেলে দিচ্
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতন ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এক মা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকসেবন ও বিক্রির অপরাধে ওই যুবককে ১০ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) উপজেলার সদর এলাকার সানেরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত আল আমিন (২৬) খুরশিদা বেগম ও মোস্তাফিজুর খানের একমাত্র ছেলে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আল আমিন মাদকসেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নেশার টাকা না পেলেই তিনি মাকে মারধর করতেন এবং পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করতেন। পরিবারের সদস্যরা বহুবার তাকে সঠিক পথে ফেরানোর চেষ্টা করলেও কোনো ফল হয়নি। একপর্যায়ে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবারের পরামর্শে রাজৈর থানায় অভিযোগ করেন খুরশিদা বেগম। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে তার ভাড়া বাসা থেকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে পাঁচ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
খুরশিদা বেগম বলেন, অনেক চেষ্টা করেও ছেলের নেশা ছাড়াতে পারিনি। তার স্ত্রীও সংসার ছেড়ে চলে গেছে। সে শুধু নিজের জীবনই নয়, আশপাশের অল্পবয়সী ছেলেদেরও মাদকের পথে ঠেলে দিচ্ছিল। বাধ্য হয়েই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। পরে রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুল হক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকসেবন ও বিক্রির অপরাধে আল আমিনকে ১০ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
What's Your Reaction?