পরনে লাল শাড়ি-হাতে মেহেদি, বিয়ের সাজেই শেষ যাত্রা
পরনে এখনো লাল শাড়ি। এই শাড়িতেই হয়েছে বিয়ে। হাতে মেহেদির টকটকে লাল দাগ। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে বিষাদে। স্বজনদের কান্নায় ভারি রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর। সড়ক দুর্ঘটনায় নিভে গেছে ১৪টি প্রাণ। খুলনার মোংলা উপজেলার শেওলাবুনিয়া এলাকার সাব্বির আর খুলনার কয়রার মার্জিয়া মিতু এদিন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি বাস ও বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ হারান দুই পরিবারের ১৩ জন এবং মাইক্রোবাসের চালক। আরও পড়ুন>>বিয়ে করে ফেরার পথে ঘটে দুর্ঘটনা, কনেসহ একই পরিবারে নিহত ১১বিয়ের দিনই মেয়ে নিহত, হাসপাতালে এসে জ্ঞান হারালেন বাবাবিয়ের আনন্দ শোক হয়ে নেমে এলো সড়কে পরিবারের সদস্যরা বলছেন, দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকার মিতুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাব্বির। পরে নববধূকে নিয়ে মোংলার নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয় পুরো পরিবার। মোংলা উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় আসলেই ঘটে দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকসহ বর পরিব
পরনে এখনো লাল শাড়ি। এই শাড়িতেই হয়েছে বিয়ে। হাতে মেহেদির টকটকে লাল দাগ। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে বিষাদে। স্বজনদের কান্নায় ভারি রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর। সড়ক দুর্ঘটনায় নিভে গেছে ১৪টি প্রাণ। খুলনার মোংলা উপজেলার শেওলাবুনিয়া এলাকার সাব্বির আর খুলনার কয়রার মার্জিয়া মিতু এদিন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি বাস ও বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ হারান দুই পরিবারের ১৩ জন এবং মাইক্রোবাসের চালক।
আরও পড়ুন>>
বিয়ে করে ফেরার পথে ঘটে দুর্ঘটনা, কনেসহ একই পরিবারে নিহত ১১
বিয়ের দিনই মেয়ে নিহত, হাসপাতালে এসে জ্ঞান হারালেন বাবা
বিয়ের আনন্দ শোক হয়ে নেমে এলো সড়কে
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকার মিতুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাব্বির। পরে নববধূকে নিয়ে মোংলার নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয় পুরো পরিবার। মোংলা উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় আসলেই ঘটে দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকসহ বর পরিবারের ১০ জন, কনে পরিবারের তিনজন ও চালকসহ ১৪ জন নিহত হন।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল বলেন, হাসপাতালে একটি শিশুসহ চারজনকে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ এখন হাসপাতালে রয়েছে।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাসান জানান, নিহতদের সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিলেন। মাইক্রোবাসে বর পরিবারের ১১, কনে পরিবারের ৩ জন ও চালকসহ মোট ১৫ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনই মারা যান।
নাহিদ ফরাজী/কেএএ/
What's Your Reaction?