পলাশ মণি দাসের পরিচালনায় ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’

রাজীব মণি দাসের রচনা ও পলাশ মণি দাসের পরিচালনায় নির্মাণ হয়েছে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’। টেলিফিল্মের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, আখম হাসান, রেজমিন সেতু, শফিক খান দিলু, সায়কা আহমেদ, তারিক স্বপন, তাবাসসুম মিথিলা, ফরিদ হোসাইন প্রমুখ। টেলিফিল্মটি আগামী ২৯ জুলাই বুধবার বিকেল ৩টায় চ্যানেল আইতে প্রচারিত হবে।   পরিচালক পলাশ মণি দাস বলেন, 'কথায় আছে কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না ঠিক তেমনি কৃপণ মানুষ যতই টাকার মালিক হোকনা কেন সেই টাকা সে ভোগ করে যেতে পারেনা, এতো টাকা-পয়সা না খেয়ে জমিয়ে রেখে লাভ কি? সামির তার টাকা সোনা মিয়া ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখে। হঠাৎ একদিন খবর আসে সোনা মিয়া ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে। কৃপণ মানুষগুলো কিছু টাকা লাভ পাওয়ার জন্য কি না করতে পারে তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।'  নাট্যকার রাজীব মণি দাস বলেন, "কৃপণতা নিয়ে এর আগেও অনেক নাটক নির্মাণ করা হয়েছে, তবে দর্শক ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’ গল্পে ভিন্ন কিছু দেখতে পাবে। গল্প যদি গল্পের মতো না হয় তাহলে সে গল্প লিখে কোনো লাভ নেই। আমি সব সময় গল্পের ভিন্নতা চিন্তা করেই গল্প লেখি এখানেও তার ব্যতিক্রম নয়।"  কাহিনিতে দেখা যায়, সামির দীর্

পলাশ মণি দাসের পরিচালনায় ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’

রাজীব মণি দাসের রচনা ও পলাশ মণি দাসের পরিচালনায় নির্মাণ হয়েছে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’। টেলিফিল্মের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, আখম হাসান, রেজমিন সেতু, শফিক খান দিলু, সায়কা আহমেদ, তারিক স্বপন, তাবাসসুম মিথিলা, ফরিদ হোসাইন প্রমুখ। টেলিফিল্মটি আগামী ২৯ জুলাই বুধবার বিকেল ৩টায় চ্যানেল আইতে প্রচারিত হবে।  

পরিচালক পলাশ মণি দাস বলেন, 'কথায় আছে কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না ঠিক তেমনি কৃপণ মানুষ যতই টাকার মালিক হোকনা কেন সেই টাকা সে ভোগ করে যেতে পারেনা, এতো টাকা-পয়সা না খেয়ে জমিয়ে রেখে লাভ কি? সামির তার টাকা সোনা মিয়া ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখে। হঠাৎ একদিন খবর আসে সোনা মিয়া ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে। কৃপণ মানুষগুলো কিছু টাকা লাভ পাওয়ার জন্য কি না করতে পারে তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।' 

নাট্যকার রাজীব মণি দাস বলেন, "কৃপণতা নিয়ে এর আগেও অনেক নাটক নির্মাণ করা হয়েছে, তবে দর্শক ‘কিপ্টুস আনলিমিটেড’ গল্পে ভিন্ন কিছু দেখতে পাবে। গল্প যদি গল্পের মতো না হয় তাহলে সে গল্প লিখে কোনো লাভ নেই। আমি সব সময় গল্পের ভিন্নতা চিন্তা করেই গল্প লেখি এখানেও তার ব্যতিক্রম নয়।" 

কাহিনিতে দেখা যায়, সামির দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন কাটিয়ে একবারে দেশে চলে আসে। দেশে এসে সে আলিয়া নামের এক মেয়েকে পারিবারিকভাবেই বিবাহ করে। বিবাহের জন্য যদিও প্রস্তুত ছিল না আলিয়া, পরিবারের চাপে বিয়ে করে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের যুক্তি ছিল ছেলে দীর্ঘদিন বিদেশে ছিল, তার অনেক টাকা। সুখে থাকতে পারবি, এমন পাত্র কোনোভাবেই হাতছাড়া করা যাবে না। এমনি প্রেক্ষাপটে দুই পরিবারের সংযোগে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়। পাত্রি দেখতে যাওয়া থেকে শুরু হয় সামিরের কৃপণ মিশনের চরিতার্থ। এরপর বাসর রাত থেকেই শুরু হয় কৃপণ স্বামী সামিরের কিপ্টামির অঘোষিত যুদ্ধ। যেন প্রতিযোগিতা লেগে যায় কত কম খরচ করা যায়। তরকারি তেল দিতে গিয়ে কয়েকটা ফোটা তেল দিয়ে রান্না শেষ করা লাগে, একদিন তো ২ ফোটা তেল কড়াইতে বেশি পড়ে যাওয়ায় সামির তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে। বাজার থেকে গুণে গুণে দুই দিনের জন্য ৪ পিস পুটি মাছ, ৪ পিস মুরগির পায়া কিনে আনে। বাড়িতে গিয়ে দেখে শালি অনু আসছে, আসার আগে খবর দিয়ে আসে নাই কেন, এজন্য সামির রাগ করে। অন্য একদিন শালি গোসল করতে যাবে কিন্তু সাবান নেই। সামির বিদেশি একখান সাবান বের করে এনে দা দিয়ে কেটে ৪ টুকরা করে এক টুকরা শালির হাতে দিয়ে বলে, অপচয়কারী শয়তানের ভাই। তাই এই পদ্ধতিতে সাবান ব্যবহার করতে হবে। এতে ১ সপ্তাহে ব্যবহৃত সাবানটি ১ মাস ব্যবহার করা যাবে বলে যুক্তি দাঁড় করায় সে। সামির তার টাকা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখে। হঠাৎ একদিন খবর আসে সোনা মিয়া ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে। সামির এ খবর শুনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরিবার আত্মীয়-স্বজন ছুটে আসে দেখতে। চারিদিকে রটে যায় সামির মারা গেছে।  
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow