প্রবাসী কার্ড হলে বিএমইটি কার্ড থাকবে না: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

  প্রবাসী কার্ড চালু হলে আলাদা করে বিএমইটি (জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অধীনে বিদেশগমনেচ্ছু কর্মীদের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন কার্ড) কার্ডের প্রয়োজন হবে না। একটি কার্ডের মাধ্যমেই প্রবাসীরা যেন সব ধরনের সুবিধা ভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মোখতার হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কী কী সুবিধা দেবো, তা এখনো চূড়ান্ত করিনি। তবে কারেন্সি-সংক্রান্ত সুবিধা কীভাবে দেওয়া যায়, সহজে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে কী ধরনের সুবিধা দেওয়া সম্ভব, ব্যাংকিং পেমেন্ট গেটওয়ে কীভাবে হবে-এসব বিষয় নিয়ে কাজ চলছে। এছাড়া এই কার্ডের সঙ্গে ডিজিটাল পরিচয়পত্র ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও যুক্ত থাকবে।’ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি, আমি যতদিন মন্ত্রী থাকবো, কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না। এ বিষয়ে

প্রবাসী কার্ড হলে বিএমইটি কার্ড থাকবে না: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

 

প্রবাসী কার্ড চালু হলে আলাদা করে বিএমইটি (জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অধীনে বিদেশগমনেচ্ছু কর্মীদের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন কার্ড) কার্ডের প্রয়োজন হবে না। একটি কার্ডের মাধ্যমেই প্রবাসীরা যেন সব ধরনের সুবিধা ভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মোখতার হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কী কী সুবিধা দেবো, তা এখনো চূড়ান্ত করিনি। তবে কারেন্সি-সংক্রান্ত সুবিধা কীভাবে দেওয়া যায়, সহজে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে কী ধরনের সুবিধা দেওয়া সম্ভব, ব্যাংকিং পেমেন্ট গেটওয়ে কীভাবে হবে-এসব বিষয় নিয়ে কাজ চলছে। এছাড়া এই কার্ডের সঙ্গে ডিজিটাল পরিচয়পত্র ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও যুক্ত থাকবে।’

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি, আমি যতদিন মন্ত্রী থাকবো, কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না। এ বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স। ইনশাআল্লাহ, দীর্ঘদিন ধরে যেটা আপনারা শুনেননি, আগামী ১০-১৫ দিন থেকে এক মাসের মধ্যে-সময়টা কিছুটা বেশি লাগতেও পারে, সেই প্রস্তাবনা আপনারা দেখতে পাবেন। তখন বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। আমাদের শ্রমবাজারও খুলে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটাই আমার চ্যালেঞ্জ। যদি সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজার গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে আমি চলে যাবো। বিষয়টিকে আমি বিশেষভাবে নিয়েছি এবং এটিই আমার চ্যালেঞ্জ।’

চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন। এ সফরে মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার সংক্রান্ত কোনো সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। আমরা একটি এমওইউ করে এসেছি, সেটা আপনারা জানেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার বিষয়েও আমরা কাজ করছি। এ জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। যাতে কোনো প্রবাসী এই কার্ড দেখালে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা পান। একইভাবে হাসপাতালে গেলেও তারা যেন বিশেষ অগ্রাধিকার পান, সে ধরনের পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি।’

আরএএস/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow