প্রলোভনে অর্ধকোটি টাকা খোয়ালেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব, গ্রেফতার ৪

চাকরি ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের প্রলোভন দেখিয়ে এক অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিবের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারকচক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতাররা হলেন- তোফায়েল হোসেন ওরফে রতন (৬৮), লিটন মুন্সী (৬০), বাবুল হোসেন (৫৫) ও নুরুল ইসলাম (৩৯)। সোমবার (২০ এপ্রিল) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, প্রতারকচক্রটি প্রথমে মোটা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে একটি কথিত অফিসে নিয়ে যায়। পরে ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের প্রস্তাব দিয়ে এক সপ্তাহে ২০ শতাংশ লাভ দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এ প্রলোভনে পড়ে ভুক্তভোগী ধাপে ধাপে ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও কোনো অর্থ ফেরত না পেয়ে এবং বারবার টালবাহানা দেখে ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে ২০২৪ সালের ৭ ডিসেম্বর পল্লবী থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। তদন্তে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করে। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রলোভনে অর্ধকোটি টাকা খোয়ালেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব, গ্রেফতার ৪

চাকরি ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের প্রলোভন দেখিয়ে এক অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিবের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারকচক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গ্রেফতাররা হলেন- তোফায়েল হোসেন ওরফে রতন (৬৮), লিটন মুন্সী (৬০), বাবুল হোসেন (৫৫) ও নুরুল ইসলাম (৩৯)।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, প্রতারকচক্রটি প্রথমে মোটা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে একটি কথিত অফিসে নিয়ে যায়। পরে ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের প্রস্তাব দিয়ে এক সপ্তাহে ২০ শতাংশ লাভ দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এ প্রলোভনে পড়ে ভুক্তভোগী ধাপে ধাপে ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও কোনো অর্থ ফেরত না পেয়ে এবং বারবার টালবাহানা দেখে ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে ২০২৪ সালের ৭ ডিসেম্বর পল্লবী থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন।

তদন্তে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করে। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল ফোন, ১২টি সিম কার্ড, ৫টি মানি রিসিপ্ট, বিভিন্ন বিলের কাগজপত্র ও বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়েছে।

সিআইডির তদন্তে আরও জানা গেছে, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের টার্গেট করে আসছিল। তারা রাজধানীর মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় অফিস ভাড়া নিয়ে ভুয়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পাততো।

গ্রেফতারদের মধ্যে তোফায়েল হোসেন ও লিটন মুন্সীর বিরুদ্ধে আগের একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান আরও জানান, এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সচেতন থাকতে হবে। অচেনা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রলোভনে বিনিয়োগ না করা এবং যে কোনো আর্থিক লেনদেনের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা উচিত।

টিটি/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow