ফরিদপুরে দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ উভয় দলের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে ও প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের নামাজের পরে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের ছোট হামিরদী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোট হামিরদী গ্রামে আপন চাচাত দুই ভাই, দুই দলের নেতৃত্ব দেন। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন হাসান হাবিব ও অন্য পক্ষের নেতৃত্ব দেন লিটন মাতুব্বর।
জানা গেছে, গ্রামে বছরখানেক আগ থেকে লিটন গ্রুপের দল বড় হওয়ায় একাধিকবার হাবিব গ্রুপের লোকদের ৪-৫ বার বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এবার হাবিব গ্রুপ ঈদের নামাজের পর হঠাৎ লিটন মাতুব্বর দলের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে ঘণ্টাখানেক সময় পর্যন্ত ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এর মধ্যে উভয় দলের কমপক্ষে শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত সিফাত ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে অন্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স ন
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ উভয় দলের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে ও প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের নামাজের পরে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের ছোট হামিরদী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোট হামিরদী গ্রামে আপন চাচাত দুই ভাই, দুই দলের নেতৃত্ব দেন। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন হাসান হাবিব ও অন্য পক্ষের নেতৃত্ব দেন লিটন মাতুব্বর।
জানা গেছে, গ্রামে বছরখানেক আগ থেকে লিটন গ্রুপের দল বড় হওয়ায় একাধিকবার হাবিব গ্রুপের লোকদের ৪-৫ বার বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এবার হাবিব গ্রুপ ঈদের নামাজের পর হঠাৎ লিটন মাতুব্বর দলের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে ঘণ্টাখানেক সময় পর্যন্ত ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এর মধ্যে উভয় দলের কমপক্ষে শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত সিফাত ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে অন্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ বিষয়ে একদলের দলনেতা হাসান হাবিব জানান, একটি বছর ধরে লিটন মাতুব্বর যত অন্যায় অত্যাচার আমাদের বাড়ি চার থেকে পাঁচ বার ভাঙচুর চালিয়ে আসছে এবং এলাকায় মাদক চুরিসহ সব শেল্টার দিয়ে আসছে, তার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আজকের সংঘর্ষ ঘটেছে।
অন্যদিকে অন্য দলের দলনেতা লিটন মাতুব্বর জানিয়েছেন, আমরা নামাজ পড়ে ঘরে ফিরেছি আর আকস্মিক হাসান হাবিব গ্রুপের লোকজন ঈদে একত্রিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটতরাজ চালিয়ে সবকিছু তছনছ করে ফেলেছে। আমরা বুঝে ওঠার আগেই তারা এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।
এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মিজানুর রহমান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষ ঘটেছে এতে কিছু হতাহত ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। আমরা এখনো অভিযোগ পাইনি, পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।