ফাইনালে ঘুষি মারার ঘটনায় দানি ওলমোর কাছে ক্ষমা চাইলেন আয়ালা
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনা শেষ হলেও ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষের রেশ এখনো কাটেনি। আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা প্রথমবারের মতো স্পেনের দানি ওলমোর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় মুখ খুলেছেন। নিজের আচরণের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে ওলমোর কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইবেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় দানি ওলমোর সঙ্গে আয়ালার ধাক্কাধাক্কির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অনেকেই সেটিকে ঘুষি হিসেবে আখ্যা দিলেও আয়ালার দাবি, এটি ছিল ধাক্কা, ঘুষি নয়। ভ্যালেন্সিয়া ক্যাপিটাল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আয়ালা বলেন, ‘অবশ্যই আমি অনুতপ্ত। আমার অবস্থানে থেকে আবেগের বশে এমন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত হয়নি। যদি দানি ওলমোর সঙ্গে দেখা হয়, আমি অবশ্যই তার কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইব।’ তবে ঠিক কী মন্তব্যের জেরে তিনি এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ। তার ভাষায়, ‘এগুলো মাঠেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত। বিষয়টিকে আর বড় করতে চাই না।’ আ
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনা শেষ হলেও ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষের রেশ এখনো কাটেনি। আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা প্রথমবারের মতো স্পেনের দানি ওলমোর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় মুখ খুলেছেন। নিজের আচরণের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে ওলমোর কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইবেন।
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় দানি ওলমোর সঙ্গে আয়ালার ধাক্কাধাক্কির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অনেকেই সেটিকে ঘুষি হিসেবে আখ্যা দিলেও আয়ালার দাবি, এটি ছিল ধাক্কা, ঘুষি নয়।
ভ্যালেন্সিয়া ক্যাপিটাল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আয়ালা বলেন, ‘অবশ্যই আমি অনুতপ্ত। আমার অবস্থানে থেকে আবেগের বশে এমন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত হয়নি। যদি দানি ওলমোর সঙ্গে দেখা হয়, আমি অবশ্যই তার কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইব।’
তবে ঠিক কী মন্তব্যের জেরে তিনি এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ। তার ভাষায়, ‘এগুলো মাঠেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত। বিষয়টিকে আর বড় করতে চাই না।’
আয়ালা আরও জানান, ম্যাচ শেষে মাঠে শুরু হওয়া সংঘর্ষ থামানোর উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ‘আমি আমাদের খেলোয়াড়দের সরিয়ে আনতে এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু আবেগের মুহূর্তে যা হয়েছে, তার দায় আমি এড়াচ্ছি না। এটি কোনো অজুহাত হতে পারে না।’
এদিকে ওই ঘটনার পাশাপাশি লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাবির সংঘর্ষ এবং নাহুয়েল মোলিনার রদ্রিকে আঘাত করার ঘটনাও তদন্তের আওতায় এসেছে।
ইতোমধ্যে ফিফা জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর ঘটে যাওয়া সব ঘটনার তদন্তে একটি শৃঙ্খলাবিষয়ক তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
আরআর/আইএইচএস/
What's Your Reaction?