বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন
পাবনার সাঁথিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত ছোট ভাই শাহীন (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকা নেওয়ার পথে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাহীন উপজেলার ধুলাউড়ি ইউনিয়নের রাউতি গ্রামের রওশন আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রওশন আলীর দুই ছেলে বাবুল ও শাহীনের পৃথক সংসার। বড় ছেলে বাবুল তার বাবার ভরণপোষণ করতেন। গত শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে বাবার খাবার খাওয়া নিয়ে বাবুলের সঙ্গে রওশন আলীর কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় ছোট ভাই শাহীন এগিয়ে এসে বড় ভাইকে বাধা দিলে দুই ভাইয়ের মধ্যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই বাবুল ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে শাহীনকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
লাঠির আঘাতে শাহীন গুরুতর আহত হলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। বুধবার রোগীকে নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের জন্য বাড়িতে থামলে কিছুক্ষণ পরই শাহীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব
পাবনার সাঁথিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত ছোট ভাই শাহীন (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকা নেওয়ার পথে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাহীন উপজেলার ধুলাউড়ি ইউনিয়নের রাউতি গ্রামের রওশন আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রওশন আলীর দুই ছেলে বাবুল ও শাহীনের পৃথক সংসার। বড় ছেলে বাবুল তার বাবার ভরণপোষণ করতেন। গত শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে বাবার খাবার খাওয়া নিয়ে বাবুলের সঙ্গে রওশন আলীর কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় ছোট ভাই শাহীন এগিয়ে এসে বড় ভাইকে বাধা দিলে দুই ভাইয়ের মধ্যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই বাবুল ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে শাহীনকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
লাঠির আঘাতে শাহীন গুরুতর আহত হলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। বুধবার রোগীকে নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের জন্য বাড়িতে থামলে কিছুক্ষণ পরই শাহীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল লতিফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।