বদলে যাচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের চিত্র

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্স ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি বরাবরই বেশ জনপ্রিয় ক্রিকেটবিশ্বে। ভারত ও অন্যান্য দেশগুলোর ক্রিকেট অনুরাগীদের কাছেও এই মাঠের গুরুত্ব ঢের। এই মাঠের গ্যালারিতে দর্শক থাকে বরাবরই বেশি। এই মাঠে টিকিট নিয়ে হাহাকারের গল্পটাও বেশ পুরনো। এবার দর্শকদের সেই সমস্যা বা কষ্ট লাঘবের দায়িত্ব নেওয়া হচ্ছে। ৬৭ হাজার ধারণক্ষমতার মাঠটির আসনসংখ্যা বাড়িয়ে করা হচ্ছে ৮৫ হাজার। কলকাতার ক্রিকেট ভক্তদের কথা ভেবে বাড়ানো হচ্ছে ১৮ হাজার আসন। এতে করে হাইভোল্টেজ ম্যাচ আয়োজনে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের সঙ্গে ইডেনও বিবেচিত হবে। আইসিসির আয়োজনের ফাইনাল সাধারণত অহমদাবাদেই হয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল সেখানেই হয়েছিল। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যুও আহমেদাবাদ। এই মাঠের দর্শক ধারণক্ষমতা ১ লক্ষ ৩২ হাজার। ইডেনের আসনসংখ্যা বাড়ানোর পরও নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম এগিয়ে থাকবে ৪৭ হাজার আসনে। ইতিমধ্যেই ইডেনের আধুনিকায়ন করার জন্য সিএবি দরপত্র আহবান করেছে। যে কোম্পানি দায়িত্ব পাবে, তাদের কাজ শুরু করার দেড় বছরের মধ্যে তা শেষ করতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের আইপিএ

বদলে যাচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের চিত্র

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্স ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি বরাবরই বেশ জনপ্রিয় ক্রিকেটবিশ্বে। ভারত ও অন্যান্য দেশগুলোর ক্রিকেট অনুরাগীদের কাছেও এই মাঠের গুরুত্ব ঢের। এই মাঠের গ্যালারিতে দর্শক থাকে বরাবরই বেশি। এই মাঠে টিকিট নিয়ে হাহাকারের গল্পটাও বেশ পুরনো।

এবার দর্শকদের সেই সমস্যা বা কষ্ট লাঘবের দায়িত্ব নেওয়া হচ্ছে। ৬৭ হাজার ধারণক্ষমতার মাঠটির আসনসংখ্যা বাড়িয়ে করা হচ্ছে ৮৫ হাজার। কলকাতার ক্রিকেট ভক্তদের কথা ভেবে বাড়ানো হচ্ছে ১৮ হাজার আসন। এতে করে হাইভোল্টেজ ম্যাচ আয়োজনে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের সঙ্গে ইডেনও বিবেচিত হবে।

আইসিসির আয়োজনের ফাইনাল সাধারণত অহমদাবাদেই হয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল সেখানেই হয়েছিল। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যুও আহমেদাবাদ। এই মাঠের দর্শক ধারণক্ষমতা ১ লক্ষ ৩২ হাজার। ইডেনের আসনসংখ্যা বাড়ানোর পরও নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম এগিয়ে থাকবে ৪৭ হাজার আসনে।

ইতিমধ্যেই ইডেনের আধুনিকায়ন করার জন্য সিএবি দরপত্র আহবান করেছে। যে কোম্পানি দায়িত্ব পাবে, তাদের কাজ শুরু করার দেড় বছরের মধ্যে তা শেষ করতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের আইপিএল শেষেই ইডেনের সংস্কারের কাজ শুরু হবে। সব ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যেই নতুন সাজে দেখা যেতে পারে ইডেনকে।

ইডেনে খেলা ছাড়াও অন্যান্য অনুষ্ঠান আয়োজনের কথাও ভাবা হচ্ছে। সেটি বিবেচনায় রেখেই আনুমানিক খরচ ২৫০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow