বনানীতে অবৈধ সিসা বারে অভিযান, বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ
রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে অভিযান চালিয়ে একাধিক অবৈধ সিসা বার থেকে বিপুল পরিমাণ সিসা, হুক্কা, বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এসময় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয় এ অভিযান পরিচালনা করে। ডিএনসির পরিচালক (অপারেশনস) ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. বশির আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে অংশ নেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়, গোয়েন্দা শাখা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বাধীন একাধিক টিম। সেখানে উপপরিচালক মো. মেহেদি হাসান ও শামছুল আলমসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ডিএনসি সূত্র জানায়, বনানীর ১১ নম্বর সড়কের ‘টাওয়ার বি ইলেভেন’ ভবনের ১৪ তলায় অবস্থিত ‘রিভেল হোক্কা লাউঞ্জ অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ নামের একটি অবৈধ সিসাবারে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ১০০ গ্রাম অবৈধ শিশা, ২৪টি হুক্কা, ২০টি কলকী, সিসি ক্যামেরার ডিভিআরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সাদ আন সাকিব, জাহিদ হাসান, জুনায়েদ আহাম্মেদ, ফাহিম আহাম্মেদ ও বখতিয়ার উদ্দিন নামে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে অভিযান চালিয়ে একাধিক অবৈধ সিসা বার থেকে বিপুল পরিমাণ সিসা, হুক্কা, বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এসময় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয় এ অভিযান পরিচালনা করে।
ডিএনসির পরিচালক (অপারেশনস) ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. বশির আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে অংশ নেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়, গোয়েন্দা শাখা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বাধীন একাধিক টিম। সেখানে উপপরিচালক মো. মেহেদি হাসান ও শামছুল আলমসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ডিএনসি সূত্র জানায়, বনানীর ১১ নম্বর সড়কের ‘টাওয়ার বি ইলেভেন’ ভবনের ১৪ তলায় অবস্থিত ‘রিভেল হোক্কা লাউঞ্জ অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ নামের একটি অবৈধ সিসাবারে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ১০০ গ্রাম অবৈধ শিশা, ২৪টি হুক্কা, ২০টি কলকী, সিসি ক্যামেরার ডিভিআরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সাদ আন সাকিব, জাহিদ হাসান, জুনায়েদ আহাম্মেদ, ফাহিম আহাম্মেদ ও বখতিয়ার উদ্দিন নামে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
একই ভবনের অষ্টম তলায় অভিযান চালিয়ে টিটু মজুমদার নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া আলামতের মধ্যে রয়েছে জনি ওয়াকার ডাবল ব্ল্যাক, ক্যালভেট ব্র্যান্ডের মদ এবং কার্লসবর্গ ও আসাহি ব্র্যান্ডের বিয়ার।
এছাড়া বনানীর ২৮ নম্বর সড়কের ‘দ্য ক্যাফে এক্সিল’ নামের আরেকটি সিসা বারে অভিযান চালিয়ে আড়াই কেজি সিসা, হুক্কা, কয়লা, মোবাইল ফোন, ডিভিআর ও হার্ডডিস্ক জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মনির হোসেন ও সাইফুল ইসলাম নামে দুজনকে আসামি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ১৭ মে খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় পৃথক অভিযানে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ জহিরুল ইসলাম পাপন ও জান্নাতুল ফেরদৌস এনি নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবৈধ সিসা বার ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?