বন্যার স্রোতে কবর থেকে ভেসে উঠলো তিন মরদেহ
রেকর্ড বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার প্রবল স্রোতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি কবরস্থান থেকে তিনটি মরদেহ ভেসে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আলতাব আলী চৌধুরী জামে মসজিদের কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বন্যার পানির তীব্র স্রোতে কবরস্থান থেকে মরদেহ তিনটি ভেসে গিয়ে পাশের ঝোপঝাড়ে আটকে পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন মরদেহগুলো উদ্ধার করে মসজিদের খাটিয়ায় রাখেন। পরে অন্য একটি কবরস্থানে পুনরায় দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। আরও পড়ুন দাদার পেছন পেছন দোকানে যাচ্ছিল শিশুটি, প্রাণ গেল নালার স্রোতে ভেসে স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ মুরাদ বলেন, প্রতিবছর বন্যার সময় সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোতে এ কবরস্থান থেকে মরদেহ ভেসে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি থাকলেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, নদীতীরের ওই অংশটিতে একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হলে কবরস্থানটি নদীভাঙন ও বন্যার স্রোত থেকে সুরক্ষা পেতে পারে। সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি তারেক হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, সাতকানিয়ায় বেশ কয়েকটি কবরস্থান তলিয়ে গেছে। গ
রেকর্ড বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার প্রবল স্রোতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি কবরস্থান থেকে তিনটি মরদেহ ভেসে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আলতাব আলী চৌধুরী জামে মসজিদের কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বন্যার পানির তীব্র স্রোতে কবরস্থান থেকে মরদেহ তিনটি ভেসে গিয়ে পাশের ঝোপঝাড়ে আটকে পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন মরদেহগুলো উদ্ধার করে মসজিদের খাটিয়ায় রাখেন। পরে অন্য একটি কবরস্থানে পুনরায় দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ মুরাদ বলেন, প্রতিবছর বন্যার সময় সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোতে এ কবরস্থান থেকে মরদেহ ভেসে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি থাকলেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, নদীতীরের ওই অংশটিতে একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হলে কবরস্থানটি নদীভাঙন ও বন্যার স্রোত থেকে সুরক্ষা পেতে পারে।
সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি তারেক হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, সাতকানিয়ায় বেশ কয়েকটি কবরস্থান তলিয়ে গেছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) বাজালিয়ার কবরস্থান থেকে তিনজনের মরদেহ স্রোতে ভাসিয়ে নেয়। পরে মরদেহগুলো আবার স্থানীয়ভাবে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা।
এসব এলাকায় কোথাও কোমর, কোথাও গলা সমান পানিতে তলিয়ে গেছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, মাছের ঘের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ভেসে গেছে ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যশস্য ও গবাদিপশুর খাদ্য। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক এলাকায় মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে।
এমআরএএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?

