বরগুনায় বালিয়াতলির ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের দাবি

বরগুনা সদর উপজেলার ৯নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মাইঠা খালের গোড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি মেরামতের দাবি স্থানীয়দের। ব্রীজের ওপারে চরমাইঠা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হওয়ায় কোমল মতি শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে মাইঠা খালের ওপর অবস্থিত একমাত্র ভাঙা ব্রিজটি এখন চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটছে ঐ এলাকার হাজারো মানুষের। ভাঙা ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের জন্য দাবি করেন এলাকাবাসি। স্থানীয়রা জানান, এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন, এপাড় ওপারের গ্রামের লোকজন এবং স্কুলের ছাত্র ছাত্রী সহ শত শত মানুষ, স্কুলের- শিক্ষার্থী এবং জরুরি রোগী যাতায়াত করেন। গত বছর বন্যায়/ভারী বর্ষণে ব্রিজের মাঝখানের একাংশ ভেঙে ধসে পড়ে। এরপর থেকে ব্রিজটির ওপর দিয়ে সব ধরনের চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। কিছুদিন আগে এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা অংশের ওপর কাঠের তক্তা ও বাঁশ বিছিয়ে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করছেন।  কিন্ত সংস্কারের অভাবে বর্তমানে তাও এখন নেই। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে আমাদের কৃষিপণ্য বাজারে ন

বরগুনায় বালিয়াতলির ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের দাবি

বরগুনা সদর উপজেলার ৯নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মাইঠা খালের গোড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি মেরামতের দাবি স্থানীয়দের। ব্রীজের ওপারে চরমাইঠা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হওয়ায় কোমল মতি শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে মাইঠা খালের ওপর অবস্থিত একমাত্র ভাঙা ব্রিজটি এখন চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটছে ঐ এলাকার হাজারো মানুষের। ভাঙা ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের জন্য দাবি করেন এলাকাবাসি।

স্থানীয়রা জানান, এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন, এপাড় ওপারের গ্রামের লোকজন এবং স্কুলের ছাত্র ছাত্রী সহ শত শত মানুষ, স্কুলের- শিক্ষার্থী এবং জরুরি রোগী যাতায়াত করেন। গত বছর বন্যায়/ভারী বর্ষণে ব্রিজের মাঝখানের একাংশ ভেঙে ধসে পড়ে। এরপর থেকে ব্রিজটির ওপর দিয়ে সব ধরনের চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

কিছুদিন আগে এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা অংশের ওপর কাঠের তক্তা ও বাঁশ বিছিয়ে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করছেন।  কিন্ত সংস্কারের অভাবে বর্তমানে তাও এখন নেই।

তাই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে আমাদের কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া যাচ্ছে না। রাতে কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় থাকে না। আমরা দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কোনো কাজ হয়নি। তাই তাদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য জেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow