বাবাকে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে যা বললেন ছেলে

বাবাকে গুলি করে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে ঘরে মধ্যে রেখে দেন ছেলে। এরপর পুলিশের কাছে ধ269873রা পড়ার পর তিনি জানান, ‘তিনি এই কাজ করতে চাননি। ভুল করে হয়ে গিয়েছে।’ ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে ব্যবসায়ী বাবা মানবেন্দ্র সিংকে খুনের পর এমনই দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছেলে অক্ষত সিং। ছেলেকে পড়াশুনা করতে বলার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।  খবরে বলা হয়, বাবা মানবেন্দ্র চাইতেন তার ছেলে ডাক্তার হোক। কিন্তু তা চাইতেন না ছেলে অক্ষত। আর তা নিয়েই মানবেন্দ্রের সঙ্গে প্রায়ই অশান্তি হত। ২০ ফেব্রুয়ারি সেই অশান্তি চরমে ওঠে। আর তার পরই মানবেন্দ্রকে গুলি করে অক্ষত হত্যা করেন বলে অভিযোগ। কিন্তু তদন্তকারীদের একটি সূত্র বলছে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পড়াশোনা অন্যতম কারণ হতে পারে ঠিকই, কিন্তু অক্ষতের মূল লক্ষ্য ছিল তার বাবার ব্যবসা। মানবেন্দ্রের বোন সরলা সিং-এর দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পড়াশুনা আসল কারণ নয়। অক্ষতকে তার বাবা বলেছিলেন যে, যত টাকাই খরচ হোক না কেন, যত দামি কলেজ হোক না কেন, তাকে ভর্তি করাবেন। কিন্তু আঁচ করতে পারেননি যে, ছেলে ভেতরে এত ঘৃণা এবং বিদ্বেষ জন্ম নিয়ে

বাবাকে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে যা বললেন ছেলে

বাবাকে গুলি করে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে ঘরে মধ্যে রেখে দেন ছেলে। এরপর পুলিশের কাছে ধ269873রা পড়ার পর তিনি জানান, ‘তিনি এই কাজ করতে চাননি। ভুল করে হয়ে গিয়েছে।’

ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে ব্যবসায়ী বাবা মানবেন্দ্র সিংকে খুনের পর এমনই দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছেলে অক্ষত সিং। ছেলেকে পড়াশুনা করতে বলার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। 

খবরে বলা হয়, বাবা মানবেন্দ্র চাইতেন তার ছেলে ডাক্তার হোক। কিন্তু তা চাইতেন না ছেলে অক্ষত। আর তা নিয়েই মানবেন্দ্রের সঙ্গে প্রায়ই অশান্তি হত। ২০ ফেব্রুয়ারি সেই অশান্তি চরমে ওঠে। আর তার পরই মানবেন্দ্রকে গুলি করে অক্ষত হত্যা করেন বলে অভিযোগ।

কিন্তু তদন্তকারীদের একটি সূত্র বলছে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পড়াশোনা অন্যতম কারণ হতে পারে ঠিকই, কিন্তু অক্ষতের মূল লক্ষ্য ছিল তার বাবার ব্যবসা। মানবেন্দ্রের বোন সরলা সিং-এর দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পড়াশুনা আসল কারণ নয়। অক্ষতকে তার বাবা বলেছিলেন যে, যত টাকাই খরচ হোক না কেন, যত দামি কলেজ হোক না কেন, তাকে ভর্তি করাবেন। কিন্তু আঁচ করতে পারেননি যে, ছেলে ভেতরে এত ঘৃণা এবং বিদ্বেষ জন্ম নিয়েছে। 

সরলা বলেন, ‘ভাইঝি আমাকে বলেছে যে, অক্ষতের হাতে বন্দুক দেখে ও ভয় পেয়ে গিয়েছিল। তখন বলেছিল, দাদা এটা কী করছিস? তখন অক্ষত বলেছিল, আমার মাথা গরম আছে। চুপ কর। তার পরই মানবেন্দ্রকে গুলি করে।’ 

সরলা জানান, ‘মানবেন্দ্র শুধু তার দাদা নয়, এক জন বাবার মতো আগলে রেখেছিলেন। তাকে বিয়ে দিয়েছেন।’

এর আগে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি মানবেন্দ্রকে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটে। তার পর তার লাশ খণ্ড খণ্ড করে হাত, পা এবং মাথা প্লাস্টিকে মুড়ে ফেলে দিয়ে আসেন পাশের গ্রামে। বাকি অংশ একটি নীল ড্রামের মধ্যে ভরে ঘরের মধ্যে রেখে দেন। 

এই ঘটনার পর ছেলে অক্ষতকে গ্রেপ্তারের পর যখন মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেন, ভুল করে হয়ে গিয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এই ঘটনায় তার বোন কীর্তিও কি জড়িত? তখন তিনি মাথা নাড়িয়ে ‘না’ বলেন। তার পরই সাংবাদিকদের উদ্দেশে তার মন্তব্য, ‘এ কাজ করতে চাইনি। ভুল করে হয়ে গিয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow