বাবা-মা আজও খুশি নয়: তৃণা

ওপার বাংলার ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃণা সাহা। পর্দায় তার হাসি-কান্না, সাবলীল সংলাপ আর প্রাণবন্ত অভিনয়ে বহুদিন ধরেই মুগ্ধ দর্শক। ছোট পর্দা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জনপ্রিয় ধারাবাহিকে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করে তিনি হয়ে উঠেছেন দর্শকের প্রিয় মুখ। তবে আলো-ঝলমলে এই সাফল্যের আড়ালেই লুকিয়ে আছে এক ব্যক্তিগত আক্ষেপ। প্রায় এক দশক ধরে অভিনয় জগতে পথচলা হলেও, মেয়ের এই পেশাকে আজও পুরোপুরি মেনে নিতে পারেননি তার বাবা-মা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই না বলা কষ্টের কথাই খুলে বললেন তৃণা—যেখানে সাফল্যের গল্পের পাশাপাশি উঠে এলো পরিবারকে বোঝাতে না পারার দীর্ঘদিনের বেদনা। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এই অজানা কথা জানিয়েছেন। তৃণা জানান, অভিনয় জগতে আসার কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না। এমনকি তার পরিবারের কেউ কোনোদিন বিনোদন জগতের ধারেকাছেও ছিলেন না।  যখন প্রথম এই পেশায় আসার সিদ্ধান্ত নেন, তখন থেকেই বাবা-মায়ের প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়েন তিনি। আজ দশ বছর পার হয়ে গেলেও সেই বরফ গলেনি।  তার কথায়, ‘বাবা-মা আজও খুশি নয়। এখনও কাজ সেরে দেরি করে বাড়ি ফিরলে তারা কথা বলে না। আজও

বাবা-মা আজও খুশি নয়: তৃণা
ওপার বাংলার ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃণা সাহা। পর্দায় তার হাসি-কান্না, সাবলীল সংলাপ আর প্রাণবন্ত অভিনয়ে বহুদিন ধরেই মুগ্ধ দর্শক। ছোট পর্দা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জনপ্রিয় ধারাবাহিকে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করে তিনি হয়ে উঠেছেন দর্শকের প্রিয় মুখ। তবে আলো-ঝলমলে এই সাফল্যের আড়ালেই লুকিয়ে আছে এক ব্যক্তিগত আক্ষেপ। প্রায় এক দশক ধরে অভিনয় জগতে পথচলা হলেও, মেয়ের এই পেশাকে আজও পুরোপুরি মেনে নিতে পারেননি তার বাবা-মা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই না বলা কষ্টের কথাই খুলে বললেন তৃণা—যেখানে সাফল্যের গল্পের পাশাপাশি উঠে এলো পরিবারকে বোঝাতে না পারার দীর্ঘদিনের বেদনা। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এই অজানা কথা জানিয়েছেন। তৃণা জানান, অভিনয় জগতে আসার কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না। এমনকি তার পরিবারের কেউ কোনোদিন বিনোদন জগতের ধারেকাছেও ছিলেন না।  যখন প্রথম এই পেশায় আসার সিদ্ধান্ত নেন, তখন থেকেই বাবা-মায়ের প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়েন তিনি। আজ দশ বছর পার হয়ে গেলেও সেই বরফ গলেনি।  তার কথায়, ‘বাবা-মা আজও খুশি নয়। এখনও কাজ সেরে দেরি করে বাড়ি ফিরলে তারা কথা বলে না। আজও শুনতে হয়- কী করিস এসব?’ তৃণা বলেন, ‘আমি এখন বড় হয়েছি। তারা যেমন আমাকে স্পেস দেন, আমিও তেমন দিই। আমার বিশ্বাস, কেউ যখন রেগে থাকে, তাকে যত বোঝাবে সে তত বিগড়ে যাবে। তাই পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার জন্য আমি সময় দিই। কিছু জিনিস সময়ের ওপর ছেড়ে দিলে আপনাআপনি ঠিক হয়ে যায়।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow