বাড়িতে আগুন, ঘরের মেঝেতে মিললো স্বামী-স্ত্রীর দগ্ধ মরদেহ
দিনাজপুর শহরের সুইহারি আশ্রমপাড়া এলাকায় একটি বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর স্বামী-স্ত্রীর অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। রোববার (১৯ এপ্রিল) দিনগত রাত ১টার দিকে নিজ ঘরের মেঝে থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন— সুইহারি আশ্রমপাড়া এলাকার বাসিন্দা তপন রায় (৫০) এবং তার স্ত্রী লতা রানী (৪২)। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিনগত রাত ১২টার দিকে তপন রায়ের বাড়িতে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে পুড়ে যাওয়া ঘর তল্লাশি করতে গিয়ে মেঝেতে ওই দম্পতির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস বা এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। দিনাজপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরনবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও বলেন, বাড়িতে আগুনের প্রকৃত উৎস কী এবং দম্পতি কীভাবে মারা গেলেন, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত
দিনাজপুর শহরের সুইহারি আশ্রমপাড়া এলাকায় একটি বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর স্বামী-স্ত্রীর অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। রোববার (১৯ এপ্রিল) দিনগত রাত ১টার দিকে নিজ ঘরের মেঝে থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— সুইহারি আশ্রমপাড়া এলাকার বাসিন্দা তপন রায় (৫০) এবং তার স্ত্রী লতা রানী (৪২)।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিনগত রাত ১২টার দিকে তপন রায়ের বাড়িতে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে পুড়ে যাওয়া ঘর তল্লাশি করতে গিয়ে মেঝেতে ওই দম্পতির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস বা এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি।
দিনাজপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরনবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, বাড়িতে আগুনের প্রকৃত উৎস কী এবং দম্পতি কীভাবে মারা গেলেন, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্ত শেষে পরিষ্কার হবে।
এমদাদুল হক মিলন/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?