বিএনপি-জামায়াত তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৮

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে। উভয়পক্ষের দাবিতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। তবে দুই দলের নেতারা একে অপরকে দোষারোপ করেছেন। বিএনপির দাবি অনুযায়ী, সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমনসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটারদের নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে কর্ণফুলী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মনির আবছার চৌধুরী অভিযোগ করেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপি ও মাদক ব্যবসায়ীদের মাধ্যম

বিএনপি-জামায়াত তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৮

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে। উভয়পক্ষের দাবিতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। তবে দুই দলের নেতারা একে অপরকে দোষারোপ করেছেন।

বিএনপির দাবি অনুযায়ী, সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমনসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটারদের নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে কর্ণফুলী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মনির আবছার চৌধুরী অভিযোগ করেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপি ও মাদক ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। পরে ফাজিল খাঁর হাট বাজারে গেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় এবং কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনুর আলম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow