বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল দুজনের
শেরপুরের নকলা উপজেলায় সেচ যন্ত্রের বিদ্যুৎ লাইনে সংযোগ থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৫ নম্বর বানেশ্বরদী ইউনিয়নের পুলাদেশি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুজন হলেন- পুলাদেশি গ্রামের মিরা মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫) এবং একই গ্রামের উবেদ আলীর ছেলে আঙ্গুর (৫০)। গুরুতর আহত হয়েছেন একই গ্রামের সামাত মিয়ার ছেলে সামিদুল (৬০)। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী রেজাউল করিম মিন্টু বলেন, বিকেলে কৃষক সামিদুল ইসলাম তার নিজ সেচ পাম্পের তার মেরামত করার সময় বিদ্যুৎস্পর্শে নিচে পড়ে গেলে মিন্টু মিয়া ও আঙ্গুর মিয়া তাকে উদ্ধার করতে আসেন। এ সময় তারাও বিদ্যুৎস্পর্শে আহত হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মালিহা মুজাত বলেন, সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুৎস্পৃর্শ হয়ে আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজন হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন। গুরুতর আহত একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ময়মনসি
শেরপুরের নকলা উপজেলায় সেচ যন্ত্রের বিদ্যুৎ লাইনে সংযোগ থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৫ নম্বর বানেশ্বরদী ইউনিয়নের পুলাদেশি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
দুজন হলেন- পুলাদেশি গ্রামের মিরা মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫) এবং একই গ্রামের উবেদ আলীর ছেলে আঙ্গুর (৫০)। গুরুতর আহত হয়েছেন একই গ্রামের সামাত মিয়ার ছেলে সামিদুল (৬০)। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী রেজাউল করিম মিন্টু বলেন, বিকেলে কৃষক সামিদুল ইসলাম তার নিজ সেচ পাম্পের তার মেরামত করার সময় বিদ্যুৎস্পর্শে নিচে পড়ে গেলে মিন্টু মিয়া ও আঙ্গুর মিয়া তাকে উদ্ধার করতে আসেন। এ সময় তারাও বিদ্যুৎস্পর্শে আহত হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মালিহা মুজাত বলেন, সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুৎস্পৃর্শ হয়ে আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজন হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন। গুরুতর আহত একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?