বিশ্বমঞ্চে ‘ইংলোভয়েস’র সাফল্য
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা ওয়ার্ল্ড স্টেম ইনভেনশন অ্যান্ড ইনোভেশন ২০২৬ -এ বাংলাদেশ অর্জন করেছে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক সাফল্য। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ‘টিম ইংলোভয়েস’ স্বর্ণপদক,এমওয়াইএসও স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড এবং বেস্ট পোস্টার অ্যাওয়ার্ড জিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশ থেকে প্রায় এক হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা ছিল মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের এক মিলনমেলা। বৈশ্বিক অংশগ্রহণের রেকর্ড গড়ায় প্রতিযোগিতাটি মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ড -এ স্বীকৃতি লাভ করে, যা এর আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করেছে। বাংলাদেশ ইয়াং সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটির (বাইসিস) নেতৃত্বে অংশ নেওয়া টিম ইংলোভয়েসের সদস্যরা হলেন অর্ণব দত্ত (টিম লিডার), মাহবুব তাজ (টিম মেম্বার) এবং সাদিকুল ইসলাম (টিম মেন্টর)। কম্পিউটিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডিজিটাল ইনোভেশন ক্যাটাগরিতে তাদের উপস্থাপিত প্রকল্পটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী ও সম
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা ওয়ার্ল্ড স্টেম ইনভেনশন অ্যান্ড ইনোভেশন ২০২৬ -এ বাংলাদেশ অর্জন করেছে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক সাফল্য।
এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ‘টিম ইংলোভয়েস’ স্বর্ণপদক,এমওয়াইএসও স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড এবং বেস্ট পোস্টার অ্যাওয়ার্ড জিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশ থেকে প্রায় এক হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা ছিল মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের এক মিলনমেলা।
বৈশ্বিক অংশগ্রহণের রেকর্ড গড়ায় প্রতিযোগিতাটি মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ড -এ স্বীকৃতি লাভ করে, যা এর আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করেছে।
বাংলাদেশ ইয়াং সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটির (বাইসিস) নেতৃত্বে অংশ নেওয়া টিম ইংলোভয়েসের সদস্যরা হলেন অর্ণব দত্ত (টিম লিডার), মাহবুব তাজ (টিম মেম্বার) এবং সাদিকুল ইসলাম (টিম মেন্টর)। কম্পিউটিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডিজিটাল ইনোভেশন ক্যাটাগরিতে তাদের উপস্থাপিত প্রকল্পটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী ও সময়োপযোগী। আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, বাস্তব সমস্যার সমাধান এবং কার্যকর উপস্থাপনার কারণে আন্তর্জাতিক বিচারক প্যানেল তাদের প্রকল্পকে উচ্চ মূল্যায়ন দেয়।
বিশেষ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সভিত্তিক এই উদ্ভাবনটি সীমিত সম্পদ ব্যবহার করেও কীভাবে বৈশ্বিক মানে পৌঁছানো যায়, তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে। উন্নত প্রযুক্তিগত দক্ষতা, গবেষণাভিত্তিক চিন্তা এবং সুসংগঠিত উপস্থাপনার সমন্বয়ে টিম ইংলোভয়েস প্রতিযোগিতায় নিজেদের আলাদা করে তুলে ধরে।
অর্ণব দত্ত বলেন, ডব্লিউওয়ার্ল্ড স্টেম ইনভেনশন অ্যান্ড ইনোভেশন ২০২৬-এ তাদের এই অর্জন প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশের তরুণরা কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে তারাই বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
তিনি আরও বলেন, সীমিত রিসোর্স থাকা সত্ত্বেও তারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করেছেন, কারণ তাদের বিশ্বাস—মেধা ও সৃজনশীলতার কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। তিনি মনে করেন, দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের এগিয়ে নিতে হলে গবেষণা সহায়তা, ইনোভেশন ফান্ড এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। উপযুক্ত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতের প্রযুক্তি বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
What's Your Reaction?