‘বিস্ময়কর’ রাজশাহী স্টারস চ্যাম্পিয়ন
শিরোপা নিশ্চিত করতে রাজশাহী স্টারসের প্রয়োজন ছিল ১ পয়েন্ট, লড়াইটা প্লে-অফ পর্যন্ত নিয়ে যেতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামনে জয়ের বিকল্প ছিল না। নারী ফুটবল লিগের শেষ রাউন্ডে ৩-০ গোলের জয়ে শিরোপা নিশ্চিত করল ‘বিস্ময়কর’ রাজশাহী স্টারস।
প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেই শিরোপার স্বাদ পাওয়া রাজশাহীর ক্লাবটির সঙ্গে ‘বিস্ময়কর’ শব্দটা জুড়ে দেওয়ার কারণ ধারাবাহিকতা। ১০ ম্যাচের সবগুলো জিতেছে ক্লাবটি। এমনটা বিভিন্ন দেশের লিগে অনেক দলের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। কিন্তু ১০ ম্যাচের সবগুলো ক্লিনশিট রাখাটা বিস্ময়করই। কোনো গোল হজম না করে ম্যাচগুলোতে ৯০ গোল করেছে রাজশাহী স্টারস। ম্যাচপ্রতি গোল গড় ৯!
আগের মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন নাসরিন স্পোর্টস একাডেমিকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে শুরু রাজশাহী স্টারসের। পরবর্তী সময়ে বিকেএসপিকে ৪-০, বাংলাদেশ পুলিশকে ৭-০, বাংলাদেশ আনসারকে
৮-০, জামালপুর কাচারিপাড়া একাদশকে ২৪-০, ঢাকা রেঞ্জার্সকে ১০-০, ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবকে ১-০, সিরাজ স্মৃতি সংসদকে ১৩-০ এবং সদ্যপুস্করণীকে ৮-০ গোলে হারিয়ে শিরোপার দুয়ারের পা রেখেছিল ক্লাবটি।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শিরোপা ভাগ্য লেখা ম্য
শিরোপা নিশ্চিত করতে রাজশাহী স্টারসের প্রয়োজন ছিল ১ পয়েন্ট, লড়াইটা প্লে-অফ পর্যন্ত নিয়ে যেতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামনে জয়ের বিকল্প ছিল না। নারী ফুটবল লিগের শেষ রাউন্ডে ৩-০ গোলের জয়ে শিরোপা নিশ্চিত করল ‘বিস্ময়কর’ রাজশাহী স্টারস।
প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেই শিরোপার স্বাদ পাওয়া রাজশাহীর ক্লাবটির সঙ্গে ‘বিস্ময়কর’ শব্দটা জুড়ে দেওয়ার কারণ ধারাবাহিকতা। ১০ ম্যাচের সবগুলো জিতেছে ক্লাবটি। এমনটা বিভিন্ন দেশের লিগে অনেক দলের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। কিন্তু ১০ ম্যাচের সবগুলো ক্লিনশিট রাখাটা বিস্ময়করই। কোনো গোল হজম না করে ম্যাচগুলোতে ৯০ গোল করেছে রাজশাহী স্টারস। ম্যাচপ্রতি গোল গড় ৯!
আগের মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন নাসরিন স্পোর্টস একাডেমিকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে শুরু রাজশাহী স্টারসের। পরবর্তী সময়ে বিকেএসপিকে ৪-০, বাংলাদেশ পুলিশকে ৭-০, বাংলাদেশ আনসারকে
৮-০, জামালপুর কাচারিপাড়া একাদশকে ২৪-০, ঢাকা রেঞ্জার্সকে ১০-০, ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবকে ১-০, সিরাজ স্মৃতি সংসদকে ১৩-০ এবং সদ্যপুস্করণীকে ৮-০ গোলে হারিয়ে শিরোপার দুয়ারের পা রেখেছিল ক্লাবটি।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শিরোপা ভাগ্য লেখা ম্যাচের শুরুতে দুই দলই ছিল সাবধানী। আঁটসাঁট রক্ষণ নিয়ে খেলার কারণে ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হয়নি। বিরতির পর প্রতিপক্ষের ওপর চাপ বাড়িয়েছিল রাজশাহী স্টারস। সুফল পেতেও সময় লাগেনি—৪৮তম মিনিটে সুরভী আকন্দ প্রীতি গোলমুখে আড়াআড়ি পাস দিয়েছিলেন, গোলরক্ষক ঝাঁপালেও বলটা আটকাতে পারেননি; ফাঁকা পোস্টে বল জালে পাঠাতে একদম ভুল করেননি আলপি আক্তার। লিগে এটি ছিল আলপি আক্তারের ৩০তম গোল! আসরের সর্বোচ্চ গোল করার পথে ফরাশগঞ্জের শামসুন নাহার জুনিয়রকে (২৪) পেছনে ফেলেছেন উদীয়মান এ গোল মেশিন!
ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেছে রাজশাহী স্টারস—গোল করেছেন শাহেদা আক্তার রিপা। ঋতুপর্ণা চাকমার ক্রস থেকে পাওয়া বল ভলিতে জালে পাঠান শাহেদ আক্তার রিপা। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে স্কোরশিটে নাম লিখিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে দিয়েছেন ঋতুপর্ণা চাকমা। এ ম্যাচ দিয়ে নিজেদের গোলসংখ্যা দুই অঙ্কে নিয়ে গেলেন শাহেদ আক্তার রিপা ও ঋতুপর্ণা চাকমা—দুজনের গোলসংখ্যা ১০।
শেষ রাউন্ডে বাংলাদেশ আনসারকে হারানো ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব লিগে রানার্সআপ হয়েছে। বুড়িগঙ্গা-তীরবর্তী পুরান ঢাকার ক্লাবটি ১০ ম্যাচের একটিতে হেরেছে, সেটা চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী স্টারসের কাছে ১-০ ব্যবধানে। গতকাল হারের ফলে সেনাবাহিনীকে লিগ শেষ করতে হলো তৃতীয় স্থান নিয়ে।
শিরোপা জয়ের ফলে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও সাফ ক্লাব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করল রাজশাহী স্টারস। লিগের কাঠামো এএফসি স্বীকৃত না হওয়ায় বাংলাদেশের ক্লাবগুলো এতদিন নারীদের মহাদেশীয় ক্লাব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ বঞ্চিত ছিল, যে কারণে বাংলাদেশের শীর্ষ খেলোয়াড়রা ভুটানের বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে এএফসির ক্লাব প্রতিযোগিতায় খেলেছেন।