বুলগেরিয়াতে মার্কিন যুদ্ধবিমান মোতায়েন নিয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া
বুলগেরিয়ার বেজমের বিমানঘাঁটিতে সাময়িকভাবে মার্কিন সামরিক বিমান মোতায়েনের অনুমতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুলগেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলিস্লাভা পেত্রোভা-চামোভার সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহায়তার জন্য বেজমের বিমানঘাঁটিতে মার্কিন বিমান মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে সহায়তার শামিল।
তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং দুই দেশের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেরও পরিপন্থী।
ইরান এর আগেও সতর্ক করে বলেছিল, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক অভিযান পরিচালনার সুযোগ দেবে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।
এদিকে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কনস্টান্টিনোস কোম্বোসের সঙ্গেও পৃথক ফোনালাপে আরাঘচি দেশটির ভূখণ্ডে থাকা বিদেশি সামরিক ঘাঁটিগুলো যেন ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
গত সপ্তাহে বুলগেরিয়ার পার্লামেন্ট বেজমের বিমানঘাঁটিতে সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ আটটি মার
বুলগেরিয়ার বেজমের বিমানঘাঁটিতে সাময়িকভাবে মার্কিন সামরিক বিমান মোতায়েনের অনুমতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুলগেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলিস্লাভা পেত্রোভা-চামোভার সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহায়তার জন্য বেজমের বিমানঘাঁটিতে মার্কিন বিমান মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে সহায়তার শামিল।
তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং দুই দেশের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেরও পরিপন্থী।
ইরান এর আগেও সতর্ক করে বলেছিল, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক অভিযান পরিচালনার সুযোগ দেবে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।
এদিকে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কনস্টান্টিনোস কোম্বোসের সঙ্গেও পৃথক ফোনালাপে আরাঘচি দেশটির ভূখণ্ডে থাকা বিদেশি সামরিক ঘাঁটিগুলো যেন ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
গত সপ্তাহে বুলগেরিয়ার পার্লামেন্ট বেজমের বিমানঘাঁটিতে সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ আটটি মার্কিন কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান এবং ২৫০ জন সামরিক সদস্য মোতায়েনের অনুমোদন দেয়। ইরানের আপত্তি সত্ত্বেও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে বুলগেরিয়া জানিয়েছে, ওই ঘাঁটিতে কোনো আক্রমণাত্মক অস্ত্র মোতায়েন করা হবে না এবং এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশটি কোনো সামরিক অভিযানের পক্ষ হয়ে যাচ্ছে না।
সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের দুটি সার্বভৌম সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যার একটি রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) আকরোতিরি ঘাঁটি। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কয়েক দিন পর গত মার্চের শুরুতে ওই ঘাঁটিতে ইরানের একটি ড্রোন আঘাত হেনেছিল।
সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল