বেফাকের হিফজ শাখায় ‘ফুল মার্কস’ পেয়ে সারা দেশে প্রথম মারজুক

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক)-এর ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় হিফজুল কোরআন বিভাগে পূর্ণ নম্বর পেয়ে সারা দেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কুমিল্লার হাফেজ মারজুক বিন সোহেল (১১)। বুধবার (১৮ মার্চ) বেফাকের প্রধান কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। ফলাফল অনুযায়ী, মারজুক ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় পূর্ণ ২০০ নম্বর অর্জন করেন। হিফজ বিভাগের ১০৩ নম্বর গ্রুপে অংশ নিয়ে তিনি সারা দেশে ৬ জনের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তালিকায় তার নাম প্রথমে রয়েছে। কুমিল্লা নগরীর টমছম ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত নিবরাস ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মারজুক এর আগেও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। পিএইচপি কোরআনের আলো প্রতিযোগিতায় তিনি চট্টগ্রাম বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় হাফেজ কল্যাণ সমিতি ও কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের অধীনে একাধিকবার ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছেন। মাত্র ১১ মাস ২৩ দিনে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন তিনি। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত নিবরাস ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসায় বর্তমানে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত

বেফাকের হিফজ শাখায় ‘ফুল মার্কস’ পেয়ে সারা দেশে প্রথম মারজুক

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক)-এর ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় হিফজুল কোরআন বিভাগে পূর্ণ নম্বর পেয়ে সারা দেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কুমিল্লার হাফেজ মারজুক বিন সোহেল (১১)।

বুধবার (১৮ মার্চ) বেফাকের প্রধান কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

ফলাফল অনুযায়ী, মারজুক ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় পূর্ণ ২০০ নম্বর অর্জন করেন। হিফজ বিভাগের ১০৩ নম্বর গ্রুপে অংশ নিয়ে তিনি সারা দেশে ৬ জনের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তালিকায় তার নাম প্রথমে রয়েছে।

কুমিল্লা নগরীর টমছম ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত নিবরাস ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মারজুক এর আগেও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।

পিএইচপি কোরআনের আলো প্রতিযোগিতায় তিনি চট্টগ্রাম বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় হাফেজ কল্যাণ সমিতি ও কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের অধীনে একাধিকবার ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছেন। মাত্র ১১ মাস ২৩ দিনে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন তিনি।

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত নিবরাস ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসায় বর্তমানে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। প্রতিষ্ঠানটিতে স্কুল বিভাগ (নার্সারি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত), হিফজ বিভাগ ও নুরানী বিভাগ চালু রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মুফতি আবুল বাশার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, মারজুকের এই সাফল্য আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য এক বড় নেয়ামত। তার মেধা ও বিনয় আমাদের মুগ্ধ করে। এই অর্জনের পেছনে মারজুকের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি তার বাবা-মা এবং আমাদের শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা রয়েছে। আমরা কেবল কোরআন মুখস্থ নয়, বরং সুন্নাহ ভিত্তিক উন্নত চরিত্র গঠনের মাধ্যমে যোগ্য নাগরিক গড়ার চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে একটি আদর্শ প্রজন্ম তৈরি করা।

তার শিক্ষক হাফেজ কারি জসিম উদ্দীন আবেদিন বলেন, মাত্র ১১ বছর বয়সী হাফেজ মারজুক বিন সোহেলের এই অসাধারণ সাফল্যে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞ। একজন শিক্ষকের জন্য এর চেয়ে বড় সুখ আর কিছু হতে পারে না, যখন তার ছাত্র এমন গৌরব বয়ে আনে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow