ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযোগকেন্দ্রে ভাঙচুর 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের একটি অভিযোগকেন্দ্রে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) গভীররাতে শহরের দাতিয়ারা এলাকায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিতরণ বিভাগ-১-এর অভিযোগ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। পরে বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ঘটনাস্থলটি পরিদর্শন করে পুলিশ। অভিযোগ কেন্দ্রে কর্তব্যরত কর্মচারী খলিলুর রহমান জানান, হামলার সময় তিনি ছাড়া অভিযোগ কেন্দ্রে কেউ ছিলেন না। স্টাফরা ৩ জায়গায় ট্রান্সফরমারের ফিউজ ঠিক করার কাজে ছিলেন। তখনই ৩ থেকে ৪ জন লোক এসে দরজাটি ভেঙে চলে যায়।  বিতরণ বিভাগ-১ এর প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ধারণা করা হচ্ছে চলমান লোডশেডিং এর কারণে ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।  উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরের দিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগের-১ এলাকায় বিদুতের চাহিদা ছিলো ৩০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ছিলো ১১ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার ৩ ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎও মিলছেনা। এই বিতরণ বিভাগের অধীন এলাকায় ৮টি  ১১ কেভি লাইনের মাধ্যমে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযোগকেন্দ্রে ভাঙচুর 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের একটি অভিযোগকেন্দ্রে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) গভীররাতে শহরের দাতিয়ারা এলাকায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিতরণ বিভাগ-১-এর অভিযোগ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। পরে বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ঘটনাস্থলটি পরিদর্শন করে পুলিশ।

অভিযোগ কেন্দ্রে কর্তব্যরত কর্মচারী খলিলুর রহমান জানান, হামলার সময় তিনি ছাড়া অভিযোগ কেন্দ্রে কেউ ছিলেন না। স্টাফরা ৩ জায়গায় ট্রান্সফরমারের ফিউজ ঠিক করার কাজে ছিলেন। তখনই ৩ থেকে ৪ জন লোক এসে দরজাটি ভেঙে চলে যায়। 

বিতরণ বিভাগ-১ এর প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ধারণা করা হচ্ছে চলমান লোডশেডিং এর কারণে ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরের দিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগের-১ এলাকায় বিদুতের চাহিদা ছিলো ৩০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ছিলো ১১ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার ৩ ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎও মিলছেনা। এই বিতরণ বিভাগের অধীন এলাকায় ৮টি  ১১ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। এরমধ্যে গড়ে ৫টি লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে বলে জানান বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। আর এতে ক্ষুব্দ হয়ে উঠেছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow