ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩ ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন প্রদানে অনিয়মের অভিযোগে ৩টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন, আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফাইজুর রহমান এবং কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক ইসলাম ভূইয়া। স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালিত তদন্তে অনিয়মের সত্যতা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, তিনজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত সংক্রান্ত সরকারি আদেশ আমরা হাতে পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগগুলো তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বরখাস্
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন প্রদানে অনিয়মের অভিযোগে ৩টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন, আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফাইজুর রহমান এবং কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক ইসলাম ভূইয়া।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালিত তদন্তে অনিয়মের সত্যতা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, তিনজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত সংক্রান্ত সরকারি আদেশ আমরা হাতে পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগগুলো তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বরখাস্তের পাশাপাশি প্রত্যেককের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। সরকারি সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
What's Your Reaction?